'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস কাব্য রচনা করেন। ১৯০৯ সালে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' উদ্ধার করেন এবং ১৯১৬ সালে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা:
১. জন্ম খণ্ড,
২. তাম্বুল খণ্ড,
৩. দান খণ্ড,
৪. নৌকা খণ্ড,
৫. ভার খণ্ড,
৬. ছত্র খণ্ড,
৭. বৃন্দাবন খণ্ড,
৮. কালিয়দমন খণ্ড,
৯. যমুনা খণ্ড,
১০. হার খণ্ড,
১১. বাণ খণ্ড,
১২. বংশী খণ্ড,
১৩, বিরহ খণ্ড।
Related Questions
চর্যাপদের এই চরণটিতে 'ভণই' শব্দের অর্থ হলো 'বলে' বা 'বলা'। এটি প্রাচীন বাংলা ভাষার একটি রূপ।
উল্লিখিত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের একটি পরিচিত সংলাপ।
জীবনানন্দ দাসের মৃত্যুর পর তার অসংখ্য অপ্রকাশিত রচনার মধ্যে 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এটি মূলত তার গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও রূপমাধুর্য নিয়ে লেখা।
বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন না তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন আজিজননেসা বেগম।
রক্তকরবী' নাটকে যান্ত্রিক সভ্যতার আগ্রাসন শ্রমিকের শোষণ এবং পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্টত দেখানো হয়েছে।
হরফের ছড়া' ফররুখ আহমদের লেখা একটি বর্ণশিক্ষার বই যা শিশুদের জন্য রচিত হয়েছিল।
জব সলুশন