নিচের কোনটি পার্শ্বিক ধ্বনি?
ক) ম
খ) শ
গ) প
ঘ) ল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ল' হলো একটি পার্শ্বিক ধ্বনি। পার্শ্বিক ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার দুই পাশ দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যায়। 'ম' নাসিক্য ধ্বনি। 'শ' শিস ধ্বনি। 'প' স্পৃষ্ট ধ্বনি।
Related Questions
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কারণ তার হাতেই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ লাভ করে এবং তিনি সাধু গদ্যকে সুবিন্যস্ত করেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন কবি। প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির প্রবর্তক।
ক) উৎ+চারণ
খ) উদ+চারন
গ) উচ+চরণ
ঘ) উচ+চারণ
Note : উচ্চারণ' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো 'উৎ+চারণ'। এটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ যেখানে 'ত' বা 'দ' এর পর 'চ' থাকলে 'ত' বা 'দ' পরিবর্তিত হয়ে 'চ' হয়। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল সন্ধিবিচ্ছেদ।
ক) চরিত্রহীন
খ) পরিণীতা
গ) গৃহদাহ
ঘ) কপালকুণ্ডলা
Note : কপালকুণ্ডলা' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। 'চরিত্রহীন' 'পরিণীতা' এবং 'গৃহদাহ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
ক) চর্যাপদ
খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
গ) বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত
ঘ) সনেট
Note : বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নির্দশন হলো 'চর্যাপদ' যা বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য। 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। 'সনেট' একটি কাব্যিক রূপ।
ক) কর্মধারয়
খ) বহুব্রীহি
গ) অব্যয়ীভাব
ঘ) দ্বিগু
Note : শতাব্দী' (শত অব্দের সমাহার) একটি দ্বিগু সমাস। দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদ সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়। কর্মধারয় বহুব্রীহি ও অব্যয়ীভাব সমাসের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন।
ক) শীতল
খ) গোলাপ
গ) মেয়ে
ঘ) গৌরব
Note : গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ। এটিকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশে বিভক্ত করা যায় না। 'শীতল' (শীত+ল) 'মেয়ে' (মে+ইয়া) এবং 'গৌরব' (গুরু+ষ্ণ) হলো সাধিত শব্দ।
জব সলুশন