শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল‘ কোন সমাস?
ক) দ্বন্দ্ব
খ) অব্যয়ীভাব
গ) বহুব্রীহি
ঘ) তত্পুরুষ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে , তবে তাকে অব্যয়ীভাবে সমাস বলে। যেমন - শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল , বিরুদ্ধ বাদ = প্রদিবাদ ,বনের সদৃশ =উপবন ।
Related Questions
ক) কর্তায় শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) কর্মে ষষ্ঠী
ঘ) সম্প্র্রাদনে ষষ্ঠী
Note : এখানে 'দেশের' পদটি 'সেবা কর' ক্রিয়ার সম্প্রদান কারক এবং এর সাথে 'এর' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। দেশের কল্যাণের জন্য নিঃস্বার্থভাবে সেবা করার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি সম্প্রদান কারক।
ক) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী গান ছড়া ইত্যাদিকে বলে
খ) গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
গ) গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপখ্যানকে
ঘ) লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার প্রস্তুতিমূলক রচনাকে
Note : লোকসাহিত্য বলতে মূলত লোকের মুখে মুখে প্রচলিত গল্প কাহিনী গান ছড়া প্রবাদ প্রবচন ধাঁধা ইত্যাদি মৌখিক সাহিত্যকে বোঝায় যা সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো লেখকের পরিবর্তে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসে। প্রথম অপশনটি এই সংজ্ঞার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
ক) প্রতি + ঊষ
খ) প্রত্যু + উষ
গ) প্রতি + উষ
ঘ) প্রত্যু + উষ
Note : প্রত্যুষ' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'প্রতি + ঊষ'। এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
ক) তিন প্রকার
খ) আট প্রকার
গ) ছয় প্রকার
ঘ) দশ প্রকার
Note : হুব্রীহি সমাস সাধারণত আট প্রকার। প্রকারগুলো হলো সমানাধিকরণ ব্যধিকরণ ব্যতিহার নিত্য অলুক মধ্যপদলোপী ও নয় বহুব্রীহি।
ক) মাথার দিব্যি
খ) মাথা ব্যথা
গ) মাথা খাওয়া
ঘ) মাথা ধরা
Note : মাথা খাও' বলতে এখানে 'মাথার দিব্যি' বা শপথ বোঝানো হয়েছে। কাউকে কোনো কাজ করার জন্য বা না করার জন্য জোর দিয়ে অনুরোধ করার সময় এই ধরনের অভিব্যক্তি ব্যবহার করা হয় যা এক প্রকার শপথ বা কসমের মতো।
ক) বরেণ্য
খ) বীরপুরুষ
গ) বীর
ঘ) বরনীয়
Note : 'বরনের যোগ্য যিনি' এই বাক্যাংশটিকে এক কথায় 'বরেণ্য' বলা হয়। 'বরেণ্য' মানে বিশেষভাবে বরণ করার যোগ্য বা সম্মানীয়। 'বরনীয়' বানানটি ভুল এবং 'বীরপুরুষ' বা 'বীর' দ্বারা যোগ্য ব্যক্তি বোঝালেও বরণের যোগ্য এই সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
জব সলুশন