'কম-দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা'- বইটির লেখক কে?

ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
খ) আবুল মনসুর আহমদ
গ) শামসুদ্দিন আবুল কালাম
ঘ) এস ওয়াজেদ আলী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

'কম-দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' বইটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবুল মনসুর আহমদ রচনা করেছেন। এটি তাঁর একটি ব্যঙ্গাত্মক ও চিন্তামূলক প্রবন্ধ সংকলন।

Related Questions

ক) বানর
খ) সিংহ
গ) পশু
ঘ) বন
Note :

'মৃগয়া' শব্দের 'মৃগ' শব্দটির অর্থ হচ্ছে 'পশু'। সাধারণভাবে, 'মৃগ' বলতে বন্য পশুর একটি শ্রেণী বোঝানো হয়, যেমন হরিণ বা অন্যান্য বন্য প্রাণী। তাই, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর 'পশু'।

ক) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ) রাজেন্দ্রলাল মিত্র
ঘ) সুকুমার সেন
Note :

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সুকুমার সেন।

ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া পদাবলী। এই পদগুলো মূলত প্রাচীন বাংলা, মৈথিলি, ওড়িয়া, এবং অসমীয়ার মতো পূর্ব ভারতীয় ভাষার মিশ্রণে রচিত। চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি প্রথম আবিষ্কৃত হয় তিব্বতে, এবং এগুলো তিব্বতি ভাষায় অনুবাদিত বা টীকাকৃত আকারে পাওয়া যায়।
-------------
প্রেক্ষাপট: 
• প্রশ্নটি স্পষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করছে যে চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো (২৩, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং) তিব্বতি অনুবাদ থেকে প্রাচীন বাংলায় কে রূপান্তর করেছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, (অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়) অনুসারে, এই কাজটি করেছেন সুকুমার সেন। তিনি আনুমানিকভাবে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেছেন। 

• ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন। এই পাণ্ডুলিপিতে ২৩ এর খণ্ডিত, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং পদগুলো ছিল না।

• অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অনুসারে,
মূল পুথির চারখানা পাতা লুপ্ত। এই চর্যাটির শেষ চার পঙ্‌ক্তি ও টীকা, ২৪ নং চর্যার সমস্ত অংশ ও টীকা এবং তার পরের অর্থাৎ ২৫ নং চর্যার মূল ও টীকার প্রথম অংশ বিনষ্ট। তবে এই চর্যাগুলির তিব্বতী অনুবাদ পাওয়া গিয়েছে। ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী সেই অনুবাদ প্রকাশ করেন ১৯৪২ সালে। সেই অনুবাদ অবলম্বনে এই চর্যাগুলির মূল কী ছিল তা অনুমান করে একটি পাঠ-পরিকল্পনা দিয়েছেন ডক্টর হুকুমার সেন তাঁর 'চর্যাীতি পদাবলী' গ্রন্থের ৭৬ থেকে ৭৯ পৃষ্ঠায়।


অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়: ভুল।
তিনি তাঁর ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে চর্যাপদের ভাষাকে প্রাচীন বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং এর সাহিত্যিক ও ভাষাগত গুরুত্ব বিশ্লেষণ করেন। তাঁর গবেষণা, বিশেষ করে The Origin and Development of the Bengali Language এবং চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, এই কাজের জন্য উল্লেখযোগ্য।

খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: ভুল।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে চর্যাপদের মূল পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন, কিন্তু তিনি তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার বা রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিব্বতি অনুবাদ ১৯৫৬ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী ও শান্তিভিক্ষু শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বিশ্বভারতী থেকে প্রকাশিত হয়।

গ) রাজেন্দ্রলাল মিত্র: ভুল।
রাজেন্দ্রলাল মিত্র (১৮২৪-১৮৯১) চর্যাপদ আবিষ্কারের (১৯০৭) অনেক আগে মারা যান। তিনি সংস্কৃত সাহিত্য ও পুরাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করলেও চর্যাপদের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।

ঘ) সুকুমার সেন: সঠিক।
অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অনুসারে, সুকুমার সেন প্রবোধচন্দ্র বাগচীর সংস্কৃত অনুবাদের ভিত্তিতে চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন এবং তা প্রকাশ করেন।
 

ক) বাঁধন-হারা
খ) মৃত্যুক্ষুধা
গ) কুহেলিকা
ঘ) শিউলিমালা
Note :

জাহাঙ্গীর কাজী নজরুল ইসলামের 'কুহেলিকা' উপন্যাসের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র। 'বাঁধন-হারা' ও 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ভিন্ন।

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কায়কোবাদ
গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঘ) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
Note :

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে জন্মগ্রহণ করেন; তিনি মধুসূদনের পূর্ববর্তী এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের উন্মেষপর্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১) , কায়কোবাদ (১৮৫৭) এবং ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০) সকলেই মধুসূদন দত্তের পরে জন্মগ্রহণ করেছেন।

ক) নীরব
খ) উজ্জ্বল
গ) মানোত্তীর্ণ
ঘ) সংগ্রাম
Note :

নীরব' শব্দটি 'নিঃ + রব' এই বিসর্গসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ 'র' তে রূপান্তরিত হয়েছে। 'উজ্জ্বল' গঠিত হয়েছে 'উৎ + জল' থেকে যা ব্যঞ্জনসন্ধি; 'সংগ্রাম' গঠিত হয়েছে 'সম্ + গ্রাম' থেকে যা ব্যঞ্জনসন্ধি। 'মানোত্তীর্ণ' এর ক্ষেত্রে 'মনঃ + উত্তীর্ণ' এর পরিবর্তে 'মান + উত্তীর্ণ' হলে এটি স্বরসন্ধি হয়; কিন্তু 'মানোত্তীর্ণ' একটি বিসর্গসন্ধি নয়।

ক) লেখার ধরনে
খ) উচ্চারণের বিশিষ্টতায়
গ) সংখ্যাগত পরিমাণে
ঘ) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে
Note :

ধ্বনি এবং বর্ণ দুটি আলাদা বিষয়, যেখানে তাদের পার্থক্য একটি মূল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে।

ধ্বনি: এটি শব্দ বা শব্দাংশের তৈরি হয় যা আমাদের কানের মাধ্যমে শোনা যায়। এটি শারীরিকভাবে শোনার মাধ্যমে এবং বাক্যের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।

বর্ণ: এটি সেই চিহ্ন বা লেখার ধরণের বিষয় যা আমরা দেখতে পাই। বর্ণগুলো অভিব্যক্তি এবং ভাষার লিখিত অংশ।

উপরোক্ত উত্তর 'ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে' বর্ণনা করে যে ধ্বনি শোনা যায় এবং বর্ণ দৃশ্যমান। তাই, ধ্বনি এবং বর্ণের পার্থক্য হচ্ছে তাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহী গুণ।

জব সলুশন

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-টিকেট ক্লার্ক/রেকর্ড কিপার 05-09-2026

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর- সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা 01-09-2026

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এস্টিমেট (তড়িৎ) ও উপ সহকারী প্রকৌশলী 01-09-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন