ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?
কৃৎ-প্রত্যয়ের (ধাতুর পর) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আও’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √পাকডু+আও =পাকড়াও;
- √চড়+আও – চড়াও;
- √বাঁচ+আও=বাঁচাও ৷
কৃৎ-প্রত্যয়ের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য শব্দ গঠনে ‘আই’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √সিল+আই = সিলাই;
= √যাচ+আই = যাচাই;
- √চড়ু+আই চড়াই।
উল্লেখ্য, তদ্ধিত প্রত্যয়ের ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আই-প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- বড়+আই = বড়াই;
- পুষ্ট+আই = পোষ্টাই ।
Related Questions
তুই বাড়ি যা ( আদেশ), ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ (প্রার্থনা), কাল একবার এসো (অনুরোধ),দূর হও (ভর্ৎসনা)।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।
যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।
কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন -
দেবর - ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী)।
সাধু ভাষা সাধারনত অনুপযোগী নাটকের সংলাপে।
সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ - কবিরাজ, যোদ্ধা , ঢাকী , কৃতদার ,অকৃতদার , পুরোহিত , কেরানি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ,সরকার , পীর , দরবেশ , মওলানা যোদ্ধা, সেনাপতি , দলপতি , বিচারপতি , জ্বীন, জামাতা ইত্যাদি। সাহবে - বিবি, সঙ্গী - সঙ্গিনী, বেয়াই - বেয়াইন ।
একাদশে বৃহস্পতি একটি বাগধারা। প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - সৌভাগ্যের বিষয়। যেমন: এখন তার একাদশে বৃহস্পতি, ধুলোমুঠোও সোনামুঠো হচ্ছে।
জব সলুশন