ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
ক) কার
খ) যতি
গ) ফলা
ঘ) বিরাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলা হয়। যেমন - 'ক' এর সাথে 'য' ফলা যুক্ত হয়ে 'ক্য' হয়। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলা হয়। যতি ও বিরাম চিহ্ন বাক্যকে সুস্পষ্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ক) কর্ণ
খ) দে
গ) করা
ঘ) খা
Note : করা' শব্দটি একটি সাধিত ধাতু, যা মৌলিক ধাতু 'কর্' এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। মৌলিক ধাতুগুলো বিভক্তিহীনভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের বিশ্লেষণ করা যায় না, যেমন- কর্, দে, খা।
ক) সীমার হোসেন (রা.) কে
খ) কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে
গ) আলেয়া সিরাজকে
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
Note :
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। এ উপন্যাসের কিছু অবিস্মরণীয় উক্তি বাংলা ভাষায় সুভাষিত উক্তি রূপে বহুল ব্যবহৃত ও চর্চিত হয়। যেমন:
-তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?
-পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ? (নবকুমারের উদ্দেশ্যে কপালকুন্ডলা);
-যাহাতে জগদীশ্বরের হাত, তাহা পন্ডিতে বলিতে পারেনা। (নবকুমার, কপালকুণ্ডলার উদ্দেশ্যে অধিকারি);
-ক্ষেত্রে বীজ রোপিত হইলে আপনিই অঙ্কুর হয়।
ক) কপালকুণ্ডলা
খ) কৃষ্ণকান্তের উইল
গ) উদাসীন পথিকের মনের কথা
ঘ) শ্রীকান্ত
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মীর মশাররফ হোসেন
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ক) ঐতিহাসিক উপন্যাস
খ) বিয়োগান্তক নাটক
গ) রোমান্সমূলক উপন্যাস
ঘ) সামাজিক উপন্যাস
জব সলুশন