ধাতু কয় প্রকার?
ক) এক
খ) দুই
গ) তিন
ঘ) চার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে বাংলা ভাষায় ধাতুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: ১. মৌলিক ধাতু ২. সাধিত ধাতু এবং ৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
Related Questions
ক) +
খ) -
গ) v
ঘ) √
Note : ব্যাকরণ ও অভিধানে প্রকৃতি বা ধাতুকে নির্দেশ করার জন্য গাণিতিক বর্গমূল বা 'রুট' চিহ্ন (√) ব্যবহার করা হয়। এটি নির্দেশ করে যে শব্দটি একটি মূল ধাতু।
ক) প্রকৃতি
খ) ধাতু
গ) প্রত্যয়
ঘ) মৌলিক শব্দ
Note : ক্রিয়াপদকে ভাঙলে যে ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায় যা আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয় তাকে ধাতু বলে। এটি ক্রিয়ার প্রাণ।
ক) বিভক্তি
খ) কারক
গ) ধাতু
ঘ) প্রত্যয়
Note : বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে ক্রিয়াপদের মূল অবিভাজ্য অংশকে 'ধাতু' বলা হয়। যেমন 'করা' ক্রিয়ার মূল হলো 'কর্'। অন্যদিকে বিভক্তি ও প্রত্যয় ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে।
ক) লোহা
খ) নিকেল
গ) পারদ
ঘ) প্লাটিনাম
Note : প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্লাটিনামের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, তাই এটি সবচেয়ে ভারী।
ক) এসিটিক এসিড
খ) সাইট্রিক এসিড
গ) ফরমিক এসিড
ঘ) বেনজয়িক এসিড
Note : লেবু ও অন্যান্য টক জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড থাকে।
ক) প্রবাল
খ) স্বর্ণ
গ) হীরাক
ঘ) মুক্তা
Note : ঝিনুকের ভেতর বাইরে থেকে কোনো বালুকণা বা পরজীবী প্রবেশ করলে ঝিনুক নিজেকে রক্ষা করতে এক ধরনের রস নিঃসরণ করে যা জমে মুক্তায় পরিণত হয়। একে প্রদাহের ফল বলা হয়।
জব সলুশন