উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে (৫ প্রকার: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি)
Related Questions
উৎস অনুসারে বাংলা শব্দ ৫ প্রকার: তৎসম; অর্ধ-তৎসম; তদ্ভব; দেশি ও বিদেশি।
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ যেসব শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের ব্যুৎপত্তিগত সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশিষ্ট বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। 'সুহৃদ' (সুন্দর হৃদয় যার) দ্বারা সাধারণ কোনো সহৃদয় ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে নির্দিষ্টভাবে 'বন্ধু' বোঝায়, তাই এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ।
যোগরূঢ় শব্দ: সমাস-নিষ্পন্ন যেসব শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন: ‘রাজপুত’ (রাজার পুত্র অর্থ ত্যাগ করে একটি বিশেষ জাতিগোষ্ঠীকে বোঝায়), ‘পঙ্কজ’, ‘মহাযাত্রা’, ‘জলধি’ ইত্যাদি। রূঢ়ি শব্দ: যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হয়ে মূল বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাদের রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন: ‘সন্দেশ’, ‘গবেষণা’, ‘হস্তী’, ‘দারুণ’ ইত্যাদি।
জব সলুশন