উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

ক) ৩ ভাগে
খ) ৪ ভাগে
গ) ৫ ভাগে
ঘ) ৬ ভাগে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে (৫ প্রকার: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি)

Related Questions

ক) চারটি
খ) দুইটি
গ) পাঁচটি
ঘ) তিনটি
Note :

উৎস অনুসারে বাংলা শব্দ ৫ প্রকার: তৎসম; অর্ধ-তৎসম; তদ্ভব; দেশি ও বিদেশি।

ক) মহাযাত্রা
খ) পঙ্কজ
গ) রাজপুত্র
ঘ) ধানখেত
Note : ধানখেত একটি সাধারণ সমাসবদ্ধ বা যৌগিক শব্দ; এটি কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে না।
ক) তৈল
খ) জলধি
গ) পঙ্কজ
ঘ) সরোজ
Note : তৈল একটি রূঢ়ি শব্দ; বাকিগুলো (জলধি-পঙ্কজ-সরোজ) যোগরূঢ় শব্দ।
ক) মৌলিক
খ) রূঢ়ি
গ) যোগরূঢ়
ঘ) যৌগিক
Note :

বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ যেসব শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের ব্যুৎপত্তিগত সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশিষ্ট বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। 'সুহৃদ' (সুন্দর হৃদয় যার) দ্বারা সাধারণ কোনো সহৃদয় ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে নির্দিষ্টভাবে 'বন্ধু' বোঝায়, তাই এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ

ক) দারুণ
খ) রাজপুত
গ) রাজপুত্র
ঘ) সন্দেশ
Note :

যোগরূঢ় শব্দ: সমাস-নিষ্পন্ন যেসব শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন: ‘রাজপুত’ (রাজার পুত্র অর্থ ত্যাগ করে একটি বিশেষ জাতিগোষ্ঠীকে বোঝায়), ‘পঙ্কজ’, ‘মহাযাত্রা’, ‘জলধি’ ইত্যাদি। রূঢ়ি শব্দ: যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হয়ে মূল বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাদের রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন: ‘সন্দেশ’, ‘গবেষণা’, ‘হস্তী’, ‘দারুণ’ ইত্যাদি।

ক) যৌগিক
খ) রূঢ়
গ) যোগরূঢ়
ঘ) অর্থহীন
Note : তুরঙ্গম বলতে 'যে দ্রুত গমন করে' বোঝালেও এটি নির্দিষ্টভাবে ঘোড়াকে বোঝায়; তাই যোগরূঢ়।

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন