কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয় এমন শব্দ হলো-
ক) আবলি
খ) গণ
গ) সকল
ঘ) পাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘পাল’ এবং ‘যূথ’ শব্দ দুটি কেবল জন্তু বা পশুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন- গরুর পাল)। মানুষের ক্ষেত্রে এটি অসম্মানজনক।
Related Questions
ক) রাজি
খ) আবলি
গ) গুলো
ঘ) মালা
Note : মেঘের বহুবচনে ‘মালা’ ব্যবহৃত হয় (যেমন- মেঘমালা)। এটি মেঘের সারি বা সমষ্টি বোঝায়।
ক) তরুগুল্ম
খ) মেঘপুঞ্জ
গ) কুসুমপুঞ্জ
ঘ) কবিতাপুঞ্জ
Note : মেঘের সাথে ‘পুঞ্জ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে সঠিক বহুবচন ‘মেঘপুঞ্জ’ গঠিত হয়। তরু বা কুসুমের সাথে সাধারণত অন্য লগ্নক ব্যবহৃত হয়।
ক) গণ
খ) পুঞ্জ
গ) যূথ
ঘ) পাল
Note : ‘পুঞ্জ’ শব্দটি কেবল জড়বস্তু বা অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে বসে (যেমন- মেঘপুঞ্জ, তারকাপুঞ্জ)। গণ, যূথ, পাল প্রাণিবাচক।
ক) বৃন্দ
খ) কুল
গ) বর্গ
ঘ) গ্রাম
Note : ‘বৃন্দ’, ‘কুল’ ও ‘বর্গ’ সাধারণত প্রাণিবাচক বা মানুষের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন- ভক্তবৃন্দ, কবিকুল)। কিন্তু ‘গ্রাম’ অপ্রাণিবাচক বা গুণের সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ক) গাছ
খ) গাছা
গ) গজ
ঘ) গ্রাম
Note : ‘গ্রাম’ শব্দটি গুণবাচক বা বিশেষ্য শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে বহুবচন বা সমষ্টি নির্দেশ করে (যেমন- গুণগ্রাম)। গাছ বা গাছা বিভক্তি নয়।
ক) পর্বতপুঞ্জ
খ) দ্বীপমালা
গ) পদাবলি
ঘ) কুসুমনিকর
Note : সাহিত্যিক ও ব্যাকরণিক প্রয়োগে ‘পদাবলি’ (পদ + আবলি) শব্দটি সর্বাধিক শুদ্ধ ও প্রচলিত। যদিও বাকি শব্দগুলোর গঠনও ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ হতে পারে তবে ‘পদাবলি’ শব্দটি নির্দিষ্টভাবে বহুবচনের সঠিক ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে গ্রাহ্য।
জব সলুশন