মহাভারত অশুদ্ধ হওয়া বাগবিধির অর্থ-
ক) অপবিত্র হওয়া
খ) বড় ক্ষতি হওয়া
গ) বড় দোষ হওয়া
ঘ) বড় অপমান হওয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সামান্য ভুলে মহাভারত অশুদ্ধ হয় না; কিন্তু অনেকে সামান্য ভুলকে অনেক বড় করে দেখে। তাই ব্যঙ্গার্থে 'বড় দোষ হওয়া' বা গুরুপাপ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ক) অন্ধকার
খ) ক্ষণস্থায়ী
গ) বৃষ্টির পূর্বাভাস
ঘ) অশুভ লক্ষণ
Note : *নোট: সাধারণত মেঘের ছায়া বলতে সুখ-দুঃখের পালাবদল বা ক্ষণস্থায়ী কিছু বোঝায়। তবে অপশন D 'অশুভ লক্ষণ' সঠিক ধরা হয়েছে যদি তা কালো মেঘের ছায়া অর্থে ব্যবহৃত হয়।*
ক) দান করা
খ) উদ্যোগী হওয়া
গ) দায়িত্ব নেয়া
ঘ) নেশা করা
Note : বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? অর্থাৎ কঠিন কাজের ঝুঁকি বা 'দায়িত্ব নেয়া'কে ম্যাও ধরা বলা হয়।
ক) অপদার্থ
খ) মূল্যবান
গ) অস্থির মানব মন
ঘ) অরাজক
Note : মানুষের মন বা মতি (ইচ্ছা) সব সময় এক থাকে না; তাই 'অস্থির মানব মন' বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ক) মূর্খ
খ) অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনাহীন
গ) দূরদৃষ্টির অভাব
ঘ) বিচারবোধহীন নকলনবিশ
Note : মূল নথিতে মাছি মরে আটকে ছিল; নকল করার সময় কেরানি সেই মাছির ছবিও এঁকে দিয়েছে। অর্থাৎ যে বিচারবুদ্ধি না খাটিয়ে হুবহু নকল করে তাকে 'বিচারবোধহীন নকলনবিশ' বলা হয়।
ক) গোপনে অপরাধ করা
খ) প্রাণী হত্যই যার বাঁচার অবলম্বন
গ) অনেক অপরাধীর মধ্যে কেবল একজনকে দোষী সাব্যস্ত করা
ঘ) ডুবে ডুবে জল খাওয়া
Note : সব পাখি মাছ খায় কিন্তু নাম হয় মাছরাঙার; তেমনি অনেকে অপরাধ করলেও বা সুবিধা নিলেও একজনের ঘাড়ে দোষ পড়লে তাকে 'অনেক অপরাধীর মধ্যে কেবল একজনকে দোষী সাব্যস্ত করা' বা মাছরাঙার কলঙ্ক বলা হয়।
ক) লাজুক
খ) ভীত
গ) স্পষ্টভাষী
ঘ) বাচাল
Note : যে সহজে অন্যের সামনে মুখ খোলে না বা কথা বলতে লজ্জা পায় তাকে 'লাজুক' বা মুখচোরা বলা হয়।
জব সলুশন