বাংলা ভাষায় বিরামচিহ্নের ব্যবহার কোন সাল থেকে শুরু হয়?
ক) 1847
খ) 1874
গ) 1849
ঘ) 1923
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন
Related Questions
ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র
Note : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে শৃঙ্খলা আনার জন্য ইংরেজি রীতির অনুকরণে দাড়ি কমা ও সেমিকোলন ইত্যাদির ব্যবহার শুরু করেন।
ক) বিদ্যাসাগরের
খ) অক্ষয় কুমারের
গ) বঙ্কিমচন্দ্রের
ঘ) কালীপ্রসন্ন সিংহের
Note : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্নের সার্থক ও সুশৃঙ্খল প্রয়োগ করেন।
ক) বাক্যের অর্থ সহজভাবে বোঝাতে
খ) শ্বাস বিরতির জায়গা দেখাতে
গ) বাক্যকে অলংকৃত করতে
ঘ) বক্তার মেজাজ স্পষ্ট করতে
Note : বিরাম চিহ্ন বাক্যের অর্থ বা শ্বাস বিরতির জন্য অপরিহার্য কিন্তু বাক্যকে অলংকৃত বা সজ্জিত করতে এর কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।
ক) বাক্য সংকোচনের জন্য
খ) বাক্যের অর্থ স্পষ্টীকরণের জন্য
গ) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য
ঘ) বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য
Note : বিরাম চিহ্নের প্রধান কাজ হলো বাক্যের অর্থ ও ভাব সুস্পষ্ট করা যাতে পাঠক সহজেই তা অনুধাবন করতে পারে।
ক) ছেদচিহ্ন
খ) স্থির চিহ্ন
গ) বিশ্রাম চিহ্ন
ঘ) বিভাজন চিহ্ন
Note : বিরাম চিহ্নের অপর নাম হলো ছেদ চিহ্ন বা যতি চিহ্ন কারণ এটি বাক্যের প্রবাহকে ছেদ বা বিরতি দেয়।
ক) বিশৃঙ্খলা
খ) উল্টা ফল
গ) অনুরোধ করা
ঘ) দীর্ঘসূত্রিতা
Note : কাজটি হচ্ছে বা হবে বলে ফেলে রাখা বা সময় ক্ষেপণ করাকে 'দীর্ঘসূত্রিতা' বা হচ্ছে হবে ভাব বলা হয়।
জব সলুশন