শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক) বিভীষন
খ) বিভীষণ
গ) বিভীযন
ঘ) বিভীষাণ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'বিভীষণ' শব্দে 'ষ' এর পরবর্তী বর্ণ হিসেবে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য 'ণ' হয়েছে।
Related Questions
ক) কারণ
খ) সৌজন্যতা
গ) আকাঙ্ক্ষা
ঘ) কল্যাণীয়াসু
Note :
কারণ" শব্দটিই একমাত্র শুদ্ধ বানান। [কারণ: বাংলা ব্যাকরণের ণত্ব-বিধান অনুযায়ী, ‘ঋ’, ‘র’, ‘ষ’—এই বর্ণগুলোর পর মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়। ‘কারণ’ একটি সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এবং ‘র’-এর পর ন যুক্ত থাকায়, এখানে স্বাভাবিকভাবেই মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহার করতে হয়। ফলে ‘কারন’ (দন্ত্য-ন দিয়ে) লেখাটি ভুল এবং ‘কারণ’ (মূর্ধন্য-ণ দিয়ে) বানানটি সঠিক
ক) ক্ষ ও র
খ) ই ও উ
গ) ট ও ঠ
ঘ) ত ও থ
Note : 'ক্ষ' (ক+ষ) এবং 'র' - এই বর্ণগুলোর পর তৎসম শব্দে সাধারণত ণ এবং ষ বসে।
ক) গ
খ) ণ
গ) না
ঘ) ন্ন
Note : ণ-ত্ব বিধানের প্রধান নিয়ম অনুযায়ী ঋ র ষ-এর পরে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
ক) লুণ্ঠন
খ) দন্ড
গ) কন্টক
ঘ) স্পন্দন
Note : প্রশ্নে সম্ভবত ভিন্নতা ছিল তবে 'স্পন্দন' শব্দটি সংস্কৃত হলেও এখানে 'দ' দন্ত্য বর্ণ তাই দন্ত্য 'ন' হয়েছে। বাকিগুলোতে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য।
ক) বন্টন
খ) বন্ঠন
গ) বণ্টন
ঘ) বনণ্টন
Note : তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য 'ণ' বসে তাই 'বণ্টন' বানানটি শুদ্ধ।
ক) ণ-ত্ব বিধান
খ) ষ-ত্ব বিধান
গ) বর্ণবিধান
ঘ) কোনোটিই না
Note : শব্দটি তৎসম এবং এতে ট-বর্গীয় ধ্বনি 'ট' এর আগে যুক্তবর্ণ রয়েছে তাই ণ-ত্ব বিধান অনুসারে এখানে 'ণ' হয়েছে।
জব সলুশন