তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে পানির -
ক) বাষ্পচাপ বৃদ্ধি পায়
খ) স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
গ) বাষ্পচাপ হ্রাস পায়
ঘ) স্ফুটনাংক হ্রাস পায়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তাপমাত্রা বাড়লে পানির অণুগুলোর গতিশক্তি বাড়ে; ফলে তারা তরল পৃষ্ঠ থেকে দ্রুত বাষ্পে পরিণত হতে চায়। এর ফলে বাষ্পচাপ বৃদ্ধি পায়।
Related Questions
ক) নিচের পানি কখনও জমাট বাঁধে না
খ) সামুদ্রিক প্রাণীগুলো বিশেষ উপায়ে নিজেদের গরম রাখে
গ) উপরের স্তরের বরফ কিছু পরিমাণ তাপ ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়
ঘ) প্রাণীগুলো বরফের মধ্যে হাইবারনেশনে থাকে
Note : বরফ তাপের কুপরিবাহী। উপরের স্তরে বরফ জমলেও তা নিচের পানির তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়। ফলে নিচের পানি ৪°C তাপমাত্রায় তরল থাকে; যেখানে মাছ বেঁচে থাকে।
ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
খ) পানি
গ) দুধ
ঘ) তেল
Note : সাধারণত কঠিন অবস্থায় ঘনত্ব বাড়ে; কিন্তু পানি বরফ হলে আয়তন বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে। তাই বরফ (কঠিন) পানিতে (তরল) ভাসে।
ক) ০° সেন্টিগ্রেড
খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
গ) ১০০° সেন্টিগ্রেড
ঘ) ২৬৩° সেন্টিগ্রেড
Note : ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ (১০০০ কেজি/ঘনমিটার)।
ক) ০° সেলসিয়াস
খ) ৪° সেলসিয়াস
গ) ৩২° সেলসিয়াস
ঘ) ১০০° সেলসিয়াস
Note : পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে ৪°C তাপমাত্রায় পানির আয়তন সবচেয়ে কম এবং ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
ক) পারদ
খ) পানি
গ) জার্মান সিলভার
ঘ) প্লুটোনিয়াম
Note : পানি একটি ব্যতিক্রমী পদার্থ। ০°C থেকে ৪°C পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়ালে পানির আয়তন না বেড়ে বরং কমে (সংকুচিত হয়)। একে পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ বলে।
ক) তাপমাত্রা বেড়ে যায়
খ) গলনাঙ্ক ০° সেলসিয়াস থেকে বেড়ে যায়
গ) তাপমাত্রা কমে যায়
ঘ) গলনাঙ্ক ০° সেলসিয়াস থেকে কমে যায়
Note : চাপ প্রয়োগ করলে বরফের গলনাঙ্ক কমে যায়। ফলে সংযোগস্থলে বরফ গলে পানি হয়। চাপ সরিয়ে নিলে আবার তা জমে বরফ হয়ে দুটি টুকরা জোড়া লাগে (পুনঃশিলীভবন)।
জব সলুশন