আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
ক) মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
খ) সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
গ) বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
ঘ) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মেঘ অনেকটা কম্বলের মতো কাজ করে। এটি পৃথিবী থেকে বিকীর্ণ তাপকে মহাশূন্যে যেতে বাধা দিয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফেরত পাঠায়; ফলে ভ্যাপসা গরম লাগে।
Related Questions
ক) শিশির উৎপন্ন হয় না
খ) শিশির উৎপন্ন হয়
গ) উভয়টি ঠিক
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : মেঘ পৃথিবীর তাপ ধরে রাখে (Greenhouse effect); ফলে বাতাস শিশিরাঙ্কের নিচে ঠান্ডা হতে পারে না। তাই মেঘলা রাতে শিশির জমে না।
ক) শরীরের তাপ ও বাহিরের তাপ সমান বলে
খ) শরীরে রক্ত কম বলে
গ) শরীরে রক্ত বেশি বলে
ঘ) শরীরের তাপের চেয়ে বাহিরের তাপ কম বলে
Note : শীতকালে পরিবেশের তাপমাত্রা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে কম থাকে। ফলে শরীর থেকে দ্রুত তাপ বেরিয়ে যায়। শরীর তখন পেশী সংকোচন-প্রসারণের (কাঁপুনি) মাধ্যমে তাপ উৎপাদনের চেষ্টা করে।
ক) টিন তাপের কুপরিবাহী বলে
খ) টিন তাপের সুপরিবাহী বলে বেশি গরম লাগে
গ) টিন কোন ছিদ্র থাকে না বলে
ঘ) টিন বেশি মাত্রায় তাপ বিকিরণ করে
Note : টিন বা ধাতু দ্রুত তাপ শোষণ করে এবং সেই তাপ ঘরের ভেতরে বিকিরণ করে দেয়। এছাড়া টিন তাপের সুপরিবাহী হওয়ায় বাইরের তাপ দ্রুত ভেতরে প্রবেশ করে।
ক) মেঘ তাপরোধী পদার্থ
খ) মেঘ তাপ গ্রহণ করে
গ) ভূপৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে
ঘ) জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়
Note : মেঘলা আকাশ পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং আবার পৃথিবীতে প্রতিফলিত করে। ফলে ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট ঠান্ডা হতে পারে না এবং শিশির জমে না।
ক) প্রতিফলন
খ) পরিবহন
গ) পরিচলন
ঘ) বিকিরণ
Note : সূর্য থেকে তাপ কোনো মাধ্যম ছাড়াই বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে আসে এবং আমাদের শরীর সেই বিকীর্ণ তাপ শোষণ করে গরম হয়।
ক) লোহা
খ) তামা
গ) রাবার
ঘ) পানি
Note : রাবার অধাতব পদার্থ এবং এর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন নেই; তাই এটি তাপ পরিবহন করতে পারে না (কুপরিবাহী)। লোহা ও তামা সুপরিবাহী।
জব সলুশন