'বিষাদ-সিন্ধু' কোন যুগের গ্রন্থ?
ক) প্রাচীন যুগের
খ) আধুনিক যুগের
গ) মধ্যযুগের
ঘ) অন্তমধ্যযুগের
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন ঊনবিংশ শতাব্দীর লেখক। ফলে তার সকল সৃষ্টি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। বিষাদ-সিন্ধু ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত আধুনিক উপন্যাস।
Related Questions
ক) এজিদ
খ) মারওয়ান
গ) ইমাম হোসেন
ঘ) ইব্রাহিম কার্দি
Note : এজিদ- মারওয়ান এবং ইমাম হোসেন বিষাদ-সিন্ধুর প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। তবে ইব্রাহিম কার্দি মীর মশাররফ হোসেনের অন্য কোনো রচনার বা ইতিহাসের চরিত্র হলেও বিষাদ-সিন্ধুর অন্তর্ভুক্ত নয়।
ক) ইমাম হোসেন
খ) ইমাম হাসান
গ) এজিদ
ঘ) সীমার
Note : এর প্রধান কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়ক হলেন হযরত ইমাম হোসেন (রা.)।
ক) রত্নবতী
খ) বিষাদ-সিন্ধু
গ) জমিদার দর্পণ
ঘ) গো-জীবন
Note : শিল্পমান- জনপ্রিয়তা এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের বিচারে 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাটি মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
ক) দেলদুয়ারের জমিদার
খ) গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ার লোক
গ) একজন সাংবাদিক কবি
ঘ) একজন বাউল
Note : মীর মশাররফ হোসেন কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ার অধিবাসী ছিলেন যা গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত।
ক) কায়কোবাদ
খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
গ) মীর মশাররফ হোসেন
ঘ) মোজাম্মেল হক
Note : বিষাদ-সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী রচনা। মহররমের করুণ কাহিনী অবলম্বনে এটি রচিত এবং মুসলিম হৃদয়ে এর গভীর প্রভাব রয়েছে।
ক) রত্নবতী
খ) বসন্তকুমারী
গ) জমিদার দর্পণ
ঘ) বিষাদ-সিন্ধু
Note : মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো 'রত্নবতী' যা ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত একটি উপাখ্যানমূলক গদ্য রচনা বা উপন্যাস।
জব সলুশন