“জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি” সহ্য করতে পারতেন না-
ক) বঙ্কিমচন্দ্র
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) প্রমথনাথ বিশী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যে কৃত্রিমতা এবং ভাবালুতার ঘোর বিরোধী ছিলেন। চলিত ভাষার প্রধান প্রবর্তক হিসেবে তিনি সাহিত্যে অহেতুক ন্যাকামি বা অস্বাভাবিকতা অপছন্দ করতেন যা তাঁর প্রাবন্ধিক সত্তার মূল বৈশিষ্ট্য।
Related Questions
ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) সুকুমার রায়
Note : প্রমথ চৌধুরী তাঁর লেখায় অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও শাণিত ভাষা ব্যবহার করতেন যা সাহিত্যে ‘পরিশীলিত বাগ্বৈদগ্ধ্য’ বা Wit হিসেবে পরিচিত। এই অনন্য রচনারীতি তাঁকে বাংলা রম্যরচনায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে।
ক) কবি
খ) নাট্যকার
গ) প্রাবন্ধিক
ঘ) ঔপন্যাসিক
Note : প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান প্রাবন্ধিক। যদিও তিনি কবিতা ও গল্প লিখেছেন মূলত বাংলা গদ্যরীতির বিবর্তনে এবং মননশীল ও যুক্তিগ্রাহ্য প্রবন্ধ রচনায় তাঁর অবদান সর্বাধিক।
ক) জমির করাতির স্ত্রী
খ) চক্কোত্তি মশায়ের স্ত্রী
গ) আবদালির মা
ঘ) শুকুর মিঞার মা
Note : গল্পের বর্ণনামতে বুড়ি ছিলেন মৃত জমির করাতির স্ত্রী। তাকে গ্রামের সবাই এবং গল্পের কথক পরম শ্রদ্ধা ও স্নেহের চোখে দেখতেন।
ক) মাসি-পিসি
খ) আহ্বান
গ) অপরিচিতা
ঘ) নেকলেস
Note : গল্পের কথক যখন গ্রামে ফিরে বুড়িকে সাহায্য করার প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন তখন তার বিনয় প্রকাশ করতে বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
ক) স্নেহ ও সম্পর্ক বিষয়ক গল্প
খ) দারিদ্র্য ও মৃত্যু বিষয়ক গল্প
গ) উদার মানবিক সম্পর্কের গল্প
ঘ) গ্রাম ও শহর সম্পর্কিত গল্প
Note : আহ্বান গল্পে জাত-পাত ও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে একজন বয়স্ক মুসলিম বৃদ্ধা ও হিন্দু যুবকের মধ্যে এক অমলিন ও নিঃস্বার্থ মানবিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে উঠেছে।
ক) ইছামতী
খ) মেঘমল্লার
গ) মৌরিফুল
ঘ) যাত্রাবদল
Note : এখানে মেঘমল্লার মৌরিফুল ও যাত্রাবদল হলো লেখকের জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ। অন্যদিকে ইছামতী হলো একটি কালজয়ী উপন্যাস তাই এটি সঠিক উত্তর।
জব সলুশন