'চলিষ্ণু অভিধান' কাকে বলা হয়?
ক) রামনারায়ণ তর্করত্ন
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অগাধ পাণ্ডিত্য এবং যেকোনো শব্দের উৎস ও ব্যুৎপত্তি তৎক্ষণাৎ বলতে পারার ক্ষমতার কারণে তাঁকে সমকালীন গুণীজনরা শ্রদ্ধাবশত 'চলিষ্ণু অভিধান' বা 'Walking Encyclopedia' বলতেন।
Related Questions
ক) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
খ) মুহম্মদ এনামুল হক
গ) মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন
ঘ) মুহম্মদ আবদুল হাই
Note : বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উপভাষা সংগ্রহ করে এই বিশাল 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' বা 'পূর্ব পাকিস্তানি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনার প্রধান কারিগর ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
ক) ১৯৪৯ সালে
খ) ১৯৬০ সালে
গ) ১৯৫০ সালে
ঘ) ১৯৫৮ সালে
Note : বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্পের কাজে তিনি ১৯৬০ সালে প্রধান সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। এটি বাংলা কোষগ্রন্থ ও অভিধানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
ক) আবুল ফজল
খ) সৈয়দ আলী আহসান
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
Note : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদ থেকে শুরু করে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষণায় যে অসামান্য পাণ্ডিত্য দেখিয়েছেন তা তাঁকে সাহিত্যের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় করে রেখেছে।
ক) ভাষাতত্ত্ববিদ
খ) সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা
গ) ইসলাম প্রচারক
ঘ) সমাজ সংস্কারক
Note : যদিও তিনি একাধারে সাহিত্যিক ও গবেষক ছিলেন তবে তাঁর প্রধান এবং কালজয়ী পরিচয় হলো ভাষাতত্ত্ববিদ। তিনি বাংলা ভাষার বিবর্তন ও বৈজ্ঞানিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে অনন্য অবদান রেখেছেন।
ক) জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন
খ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনি
Note : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রায় ২০টিরও বেশি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি কেবল একজন গবেষকই নন বরং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বহুভাষাবিদ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
ক) ১৯৬৪ সালের ১ মে
খ) ১৯৬৬ সালের ১ জুলাই
গ) ১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই
ঘ) ১৯৭০ সালের ১৩ জুলাই
Note : তিনি ১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ।
জব সলুশন