নজরুলের কোন রচনাটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে
ক) অগ্নিবীণা
খ) বিষের বাঁশি
গ) ব্যথার দান
ঘ) ছায়ানট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১৯২৪ সালে 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে কারণ এটি সাধারণ মানুষের মনে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। এটি সাহিত্যের স্বাধীনতা সংক্রান্ত।
Related Questions
ক) সর্বহারা
খ) জিলঞ্জির
গ) প্রলয়-শিখা
ঘ) সাম্যবাদী
Note : নজরুলের 'প্রলয়-শিখা' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার এর উত্তেজনাকর ও বিপ্লবী কবিতার জন্য বাজেয়াপ্ত করেছিল যা নজরুলের সাহসিকতার প্রমাণ।
ক) বিষের বাঁশি
খ) যুগবাণী
গ) ভাঙার গান
ঘ) প্রলয়-শিখা
Note : নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ 'যুগবাণী' ১৯২২ সালে প্রথম বাজেয়াপ্ত করা হয় এর বৈপ্লবিক ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বক্তব্যের জন্য। এটি আইনের ও রাজনৈতিক ইতিহাস সংক্রান্ত।
ক) হৈমন্তী
খ) কমলাকান্তের জবানবন্দি
গ) সাহিত্যে খেলা
ঘ) যৌবনের গান
Note : নজরুলের 'যৌবনের গান' অভিভাষণে তিনি তারুণ্যের চঞ্চলতা ও প্রাণবন্ত অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে এই পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন। এটি তারুণ্যের জয়গান সংক্রান্ত।
ক) জীবন বৃক্ষ
খ) আমার পথ
গ) আহ্বান
ঘ) মাসি-পিসি
Note : নজরুলের এই গভীর আধ্যাত্মিক ও অসাম্প্রদায়িক উক্তিটি তার 'আমার পথ' প্রবন্ধের নির্যাস যা বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দেয়।
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'মানুষের ধর্ম' গ্রন্থে
খ) কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর 'ধর্ম' কবিতায়
গ) কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর 'আমার পথ' রচনায়
ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে
Note : নজরুল এই প্রবন্ধে সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার জয়গান গেয়েছেন এবং মানুষকে মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় হিসেবে দেখিয়েছেন। এটি ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন।
ক) আনিসুজ্জামান 'জাদুঘরে কেন যাব'
খ) মোতাহার হোসেন চৌধুরী 'জীবন ও বৃক্ষ'
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বিলাসী'
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ'
Note : নজরুলের মতে ভুল করা বা ভুলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হওয়াই হলো প্রকৃত সত্য লাভের উপায় কারণ এটি মানুষকে সঠিক পথের অভিজ্ঞতা দেয়।
জব সলুশন