রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা।' এই চরণদ্বয় কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
ক) বিদ্রোহী
খ) আমার কৈফিয়ৎ
গ) সাম্যবাদী
ঘ) মানুষ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নজরুল ইসলাম তার লেখনীকে শোষণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন। 'আমার কৈফিয়ৎ' কবিতায় তিনি তার বিপ্লবী সত্তাকে 'রক্ত-লেখা' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
Related Questions
ক) বিদ্রোহী
খ) কামাল পাশা
গ) অগ্রপথিক
ঘ) আমার কৈফিয়ৎ
Note : এটি নজরুলের 'আমার কৈফিয়ৎ' কবিতার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চরণ। সমকালীন অন্যায় ও সমালোচনার জবাবে কবি এই কবিতায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
ক) বিদ্রোহী
খ) সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
গ) কাণ্ডারী হুশিয়ার
ঘ) আনন্দময়ীর আগমনে
Note : কবিতাটি নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক। 'কাণ্ডারী হুশিয়ার' কবিতায় বিপন্ন মানুষের পরিচয় জানতে চাওয়া হলে কবি মানবতার জয়গান গেয়েছেন।
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
Note : এই চরণের মূল ভাব হলো অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতা। নজরুল ইসলাম এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে মায়ের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
ক) রাস্তা
খ) নদী
গ) বনজঙ্গল
ঘ) আকাশ
Note : বাংলা সাহিত্যের শব্দার্থ বিশ্লেষণে 'কান্তার' শব্দটির অর্থ হলো দুর্গম পথ বা বনজঙ্গল। এখানে মূলত গভীর অরণ্য বা সংকটাপন্ন পথ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য
খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) ফররুখ আহমদ
Note : নজরুল ইসলাম দেশপ্রেমীদের প্রতিকূলতা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এটি রচনা করেছেন।
ক) অগ্নিবীণা
খ) ফণী-মনসা
গ) সর্বহারা
ঘ) ছায়ানট
Note : 'কাণ্ডারী হুশিয়ার' একটি কালজয়ী স্বদেশপ্রেমমূলক কবিতা যা নজরুল ইসলামের 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় তিনি পরাধীন ভারতের মুক্তি সংগ্রামে সঠিক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেছেন।
জব সলুশন