বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
ক) জসীমউদ্দীন
খ) আবদুল কাদির
গ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার দাদুর স্ত্রীর বাপের বাড়িতে যাওয়ার আকুলতার বর্ণনা।
Related Questions
ক) এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা
খ) পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
গ) দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে।
ঘ) আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হয়
Note : কবিতার মূল গঠন অনুযায়ী 'তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে' এর পরবর্তী চরণটি হলো 'আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হয়'।
ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
খ) আবদুল কাদির
গ) জসীমউদ্দীন
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার একটি অংশ যেখানে দাদু তাঁর প্রিয়জনদের কবরস্থ করার কথা বলছেন।
ক) কবি জসীমউদ্দীন
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) আবদুল কাদির
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবির শৈল্পিক বর্ণনা ও পল্লীজীবনের আবেগ ফুটে উঠেছে।
ক) আসমানী
খ) দাওয়াত
গ) কবর
ঘ) পল্লীস্মৃতি
Note : জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতার সবচেয়ে পরিচিত শুরুর চরণগুলোর একটি। এটি দাদির কবরের স্মৃতিচারণ।
ক) আম
খ) পাট
গ) তরমুজ
ঘ) মাছ
Note : কবিতাটির টেক্সট অনুযায়ী দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করার কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
ক) গজনীর হাটে
খ) শাপলার হাটে
গ) উজানতলীর হাটে
ঘ) মেঘনার হাটে
Note : কবিতাটির বর্ণনা অনুযায়ী দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরিবারের জন্য খরচ করতেন।
জব সলুশন