'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
ক) জসীমউদ্দীনকে
খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলে আখ্যায়িত করেছেন কারণ রবীন্দ্রসাহিত্যে প্রকৃতি এবং তপোবন সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও আধ্যাত্মিক সংযোগ লক্ষ্য করা যায়।
Related Questions
ক) বৃক্ষের
খ) আত্মার
গ) সংস্কৃতির
ঘ) নদীর গতির
Note : প্রবন্ধে লেখক উল্লেখ করেছেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষের প্রাণময়তাকে নদীর গতির সাথে তুলনা করেছেন কিন্তু মোতাহের হোসেন চৌধুরী নিজে বৃক্ষকে স্থিতধী ও সার্থকতা হিসেবে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
ক) নদীকে
খ) আত্মাকে
গ) ধর্মকে
ঘ) বৃক্ষকে
Note : লেখক বৃক্ষকে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন কারণ বৃক্ষ যেমন মাটির গভীর থেকে রস সংগ্রহ করে আকাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় এবং ফল দান করে মানুষও তেমনি জ্ঞানের মাধ্যমে বিকশিত হয়ে মহত্ত্ব অর্জন করে।
ক) সৌন্দর্য উপলব্ধি
খ) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুধাবন
গ) বিকাশ অনুধাবন
ঘ) তাৎপর্য উপলব্ধি
Note : মোতাহের হোসেন চৌধুরী বৃক্ষকে জীবনের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেছেন। বৃক্ষের শান্ত ও নীরবে বেড়ে ওঠা এবং ফল দান মানুষের জীবনের গভীর তাৎপর্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে সহায়তা করে।
ক) আহ্বান
খ) মানব কল্যাণ
গ) ফুলের মূল্য
ঘ) জীবন ও বৃক্ষ
Note : এই বাক্যটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। লেখক এখানে বোঝাতে চেয়েছেন যে মানবিকতার কথা বলা সহজ হলেও তা হৃদয়ে ধারণ করে প্রকৃতভাবে বিকশিত হওয়া কঠিন।
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ) আনিসুজ্জামান
Note : মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর প্রবন্ধে মানুষের সংবেদনশীলতা ও সৌন্দর্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করতেন শিল্প ও সৌন্দর্যবোধের অভাবই মানুষকে নিষ্ঠুর করে তোলে।
ক) অপরিচিতা
খ) আমার পথ
গ) চাষার দুক্ষু
ঘ) জীবন ও বৃক্ষ
Note : উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধ 'জীবন ও বৃক্ষ' থেকে চয়ন করা হয়েছে। এই প্রবন্ধে তিনি মানুষের জৈবিক সত্তার চেয়ে আত্মিক সত্তার বিকাশের ওপর জোর দিয়েছেন।
জব সলুশন