বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
ক) ২০১০ সালে
খ) ২০১৩ সালে
গ) ২০১৫ সালে
ঘ) ২০১৭ সালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সর্বশেষ এবং কার্যকর জাতীয় শিক্ষানীতিটি ২০০৯ সালে গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২০১০ সালে প্রণীত হয়।
Related Questions
ক) অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
খ) অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা
গ) অধ্যাপক আনিসুজ্জামন
ঘ) অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
Note : ২০০০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিকে সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের কমিটি গঠিত হয় যার সুপারিশে ২০১০ সালের শিক্ষানীতি প্রণীত হয়।
ক) শামসুল হক
খ) আজাদ চৌধুরী
গ) এ এস এইচ কে সাদেক
ঘ) মুস্তফা চৌধুরী
Note : ১৯৯৭ সালে অধ্যাপক এম শামসুল হকের নেতৃত্বে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় যার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে 'জাতীয় শিক্ষানীতি - ২০০০' প্রণীত হয়।
ক) মফিজ কমিশন
খ) সামসুল হক কমিশন
গ) মনিরুজ্জামান মিয়া কমিশন
ঘ) কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
Note : দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য কমাতে এবং মান নিশ্চিত করতে 'একমুখী শিক্ষা কার্যক্রম' চালুর সুপারিশ করেছিল ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
ক) শরীফ কমিশন, ১৯৫৯
খ) সার্জেন্ট কমিশন, ১৯৪৪
গ) স্যাডলার কমিশন, ১৯৯৭
ঘ) কুদরত-ই-খুদা কমিশন, ১৯৭৪
Note : বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন অর্থাৎ ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন (১৯৭৪) প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার জন্য প্রথম সুপারিশ করেছিল।
ক) মফিজ উদ্দিন কমিশন
খ) সামসুল হক কমিশন
গ) কুদরত-ই-খুদা কমিশন
ঘ) মাজেদ খান কমিশন
Note : স্বাধীন বাংলাদেশে গঠিত প্রথম শিক্ষা কমিশনটি হলো ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন যা দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা নীতি প্রণয়নের ভিত্তি স্থাপন করে।
ক) মফিজ উদ্দিন
খ) কুদরত-ই-খুদা
গ) সামসুল হক
ঘ) কেহই নন
Note : ১৯৭৪ সালে ড. কুদরত-ই-খুদা কমিশন রিপোর্ট জমা হয়
জব সলুশন