'যে ঘৃণা বিদ্বেষ অহংকার/ এবং জাতিঅভিমানকে করে বার বার পরাজিত' তোমার পঠিত কোন কবিতার অংশ?
ক) সেই অস্ত্র
খ) আমি কিংদবন্তির কথা বলছি
গ) রক্তে আমার অনাদি অস্থি
ঘ) ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সেই অস্ত্র' কবিতার অংশ যেখানে কবি ভালোবাসাকে এমন এক শক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন যা ঘৃণা ও বিদ্বেষকে জয় করতে পারে।
Related Questions
ক) ঘন
খ) নরম
গ) আরও
ঘ) লাল
Note : কবিতার মূল লাইনটি হলো—"যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে অরণ্য হবে আরও সবুজ"। এখানে ভালোবাসার প্রভাবে প্রকৃতির সজীবতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে।
ক) রোম
খ) এথেন্স
গ) ট্রয়
ঘ) স্পার্টা
Note : কবিতায় ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে পৌরাণিক নগরী 'ট্রয়'-এর উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা বোঝাতে কবি এই ঐতিহাসিক প্রসঙ্গটি ব্যবহার করেছেন।
ক) মানুষের ভিতরের শক্তিকে জাগ্রত করা
খ) মানুষের বিবেকবোধ জাগ্রত করা
গ) ভালোবাসা দিয়ে মানুষের জয় করতে শেখা
ঘ) মানুষের মানবিক হতে উদ্বুদ্ধ করা
Note : কবিতার মূল সুর হলো ভালোবাসা। কবি বিশ্বাস করেন ভালোবাসা নামক অমোঘ অস্ত্র দিয়েই ঘৃণা ও যুদ্ধের পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
ক) নাট্যধর্মী
খ) সংলাপধর্মী
গ) উদ্দীপনাধর্মী
ঘ) চিত্রধর্মী
Note : কবিতাটিতে কবি ভালোবাসার শক্তির মাধ্যমে যে পৃথিবীর ছবি এঁকেছেন তা অত্যন্ত রূপক ও চিত্রাত্মক। এজন্য একে চিত্রধর্মী কবিতা বলা যায়।
ক) অস্তামিল গদ্য
খ) অস্তামিলহীন অক্ষরবৃত্ত
গ) অস্তামিলহীন মাত্রাবৃত্ত
ঘ) অস্তামিল অমিত্রাক্ষর
Note : কবিতাটি গদ্যছন্দের ঢঙে লেখা হলেও এর মূল কাঠামোটি 'অস্তামিলহীন অক্ষরবৃত্ত' ছন্দে বিন্যস্ত। এটি আধুনিক কবিতার একটি জনপ্রিয় নির্মাণ কৌশল।
ক) রাত্রিশেষ
খ) ছায়াহরিণ
গ) সারাদুপুর
ঘ) বিদীর্ণ দর্পণে মুখ
Note : 'সেই অস্ত্র' কবিতাটি কবির 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। এটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গভীর ভাববাহী একটি কবিতা।
জব সলুশন