কোন জলপথ নিয়ে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিবাদ রয়েছে?
ক) পারস্য উপসাগর
খ) আরব সাগর
গ) শাত ইল আরব
ঘ) ওমান উপসাগর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ইরান ও ইরাকের মধ্যে সীমান্ত ও আধিপত্য নিয়ে প্রধান বিবাদের কারণ হলো শাত-ইল-আরব নদী। এটি টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর সংযোগস্থল।
Related Questions
ক) দামেস্ক চুক্তি
খ) আলজিয়ার্স চুক্তি
গ) কায়রো চুক্তি
ঘ) বৈরুত চুক্তি
Note : শাত-ইল-আরব জলপথ নিয়ে বিবাদ নিরসনে ইরান ও ইরাকের মধ্যে ১৯৭৫ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ ছিল।
ক) বাহরাইন ও কুয়েত
খ) সিরিয়া ও ইরাক
গ) ইরাক ও ইরান
ঘ) ইরাক ও তুরস্ক
Note : শাত-ইল-আরব নদীটি ইরান ও ইরাকের সীমানা নির্দেশ করে। এই জলপথকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বিবাদ রয়েছে যা উপসাগরীয় যুদ্ধের কারণ ছিল।
ক) ৩৯ কি.মি.
খ) ৪১ কি.মি.
গ) ৫১ কি.মি.
ঘ) ৫৪ কি.মি.
Note : গাজা উপত্যকা ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত ফিলিস্তিনের একটি ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১ কিলোমিটার।
ক) রাশিয়া - ইউক্রেন
খ) ইসরায়েল- ফিলিস্তিন
গ) চীন - তাইওয়ান
ঘ) ইসরায়েল- ইরান
Note : রাফা সীমান্ত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। গাজা উপত্যকা ও মিশরের মধ্যে অবস্থিত এই সীমান্ত মানবিক ও সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ক) ভারত-পাকিস্তান
খ) পাকিস্তান- আফগানিস্তান
গ) মিশর- ফিলিস্তিন
ঘ) ইসরাইল-ফিলিস্তিন
Note : রাফাহ ক্রসিং হলো ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা এবং মিশরের সীমান্তের মধ্যবর্তী একমাত্র প্রবেশপথ। এটি এই অঞ্চলের মানবিক সহায়তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ক) অপারেশন আল আকসা ফ্লাড
খ) অপারেশন আয়রন সোর্ড
গ) অপারেশন রেড ডাউন
ঘ) অপারেশন রেথ অফ গড
Note : ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযান শুরু করে তার সাংকেতিক নাম ছিল অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড।
জব সলুশন