বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-
ক) রাজ কাঁকড়া
খ) গণ্ডার
গ) পিপীলিকাতুক ম্যানিস
ঘ) স্নো লোরিস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রাজ কাঁকড়াকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয় কারণ কোটি কোটি বছর ধরে এদের শারীরিক গঠনের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেনি।
Related Questions
ক) স্নায়ুকোষ
খ) লোহিত রক্তকণিকা
গ) ত্বককোষ
ঘ) শুক্রাণু
Note : শুক্রাণু হলো একটি জনন কোষ (Germ cell)। বাকি স্নায়ুকোষ রক্তকণিকা এবং ত্বককোষ হলো দেহকোষ বা সোমাটিক সেল।
ক) কার্বোহাইড্রেট
খ) প্রোটিন
গ) স্নেহদ্রব্য
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : প্রোটিন হলো দেহের প্রধান গাঠনিক উপাদান যা ক্ষয়পূরণ বৃদ্ধি সাধন এবং কোষের পুনর্গঠনে সরাসরি কাজ করে।
ক) 22
খ) 23
গ) 24
ঘ) 25
Note : মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম।
ক) রর্বাট হুক
খ) রবার্ট ব্রাউন
গ) রর্বাট চার্লস
ঘ) রর্বাট সেইডন
Note : ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক একটি কর্কের পাতলা ছেদ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করে প্রথম কোষ আবিষ্কার করেন।
ক) প্লাসটিড
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
গ) নিউক্লিয়াস
ঘ) ক্রোমাটিন বস্তু
Note : ব্যাকটেরিয়া হলো আদি কোষীয় জীব। এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস বা পর্দাঘেরা অঙ্গাণু থাকে না তবে বংশগতির জন্য সাইটোপ্লাজমে ক্রোমাটিন বস্তু ছড়িয়ে থাকে।
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
খ) নিউক্লিয়াস
গ) ক্রোমজম
ঘ) লিকোপ্লাস্ট
Note : মাইটোকন্ড্রিয়া কোষে শক্তি উৎপাদনের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে বলে একে কোষের পাওয়ার হাউজ বা শক্তিঘর বলা হয়।
জব সলুশন