গণতন্ত্রের প্রাণ হলো-
ক) সরকার
খ) রাষ্ট্র
গ) সংবিধান
ঘ) জনগণ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা। এই শাসনব্যবস্থায় জনগণই ক্ষমতার উৎস তাই জনগণকেই গণতন্ত্রের প্রাণ বা মূল চালিকাশক্তি বলা হয়।
Related Questions
ক) নির্বাচন
খ) সরকারের জবাবদিহিতা
গ) বহুদলীয় ব্যবস্থা
ঘ) আইনের শাসন
Note : গণতন্ত্রে সরকারের জবাবদিহিতা আইনের শাসন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ হলেও নির্বাচন হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগণ তাদের শাসক নির্বাচন করে এবং গণতন্ত্রের বৈধতা প্রতিষ্ঠা পায়। নির্বাচন ছাড়া আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র অচল।
ক) সরকার
খ) ক্ষমতা
গ) রাজনীতি
ঘ) জনগণ
Note : Democracy' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'demos' (ডিমোস) ও 'kratos' (ক্র্যাটোস) থেকে এসেছে যেখানে 'ডিমোস'-এর অর্থ 'জনগণ' এবং 'ক্র্যাটোস'-এর অর্থ 'ক্ষমতা' বা 'শাসন'।
ক) Democrat
খ) Bureaucrat
গ) Autocrat
ঘ) Fanatic
Note : Autocrat বা স্বৈরশাসক হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্যদের পরামর্শ ছাড়াই বা জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে শাসন করেন। Democrat হলেন গণতান্ত্রিক এবং Bureaucrat হলেন আমলা।
ক) ইংল্যান্ড
খ) স্পেন
গ) থাইল্যান্ড
ঘ) মালয়েশিয়া
Note : মালয়েশিয়ার রাজা (ইয়াং দি-পারতুয়ান আগং) দেশের নয়টি রাজ্যের সুলতানদের সমন্বয়ে গঠিত 'রুলার্স কাউন্সিল'-এর মাধ্যমে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নির্বাচিত হন।
ক) প্রজাতন্ত্র
খ) ইসলামি প্রজাতন্ত্র
গ) গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
ঘ) রাজতন্ত্র
Note : মালয়েশিয়া একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যেখানে একটি নির্বাচিত রাজা (ইয়াং দি-পারতুয়ান আগং) রাষ্ট্রপ্রধান।
ক) ৩০ বছর
খ) ৪০ বছর
গ) ৫০ বছর
ঘ) ৭০ বছর
Note : থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রাম) ১৯৪৬ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে থাইল্যান্ডের সিংহাসনে ছিলেন।
জব সলুশন