মুদ্রাস্ফীতির কারণ-
ক) উৎপাদন বৃদ্ধি
খ) টাকার সবরাহ বৃদ্ধি
গ) আমদানি বৃদ্ধি
ঘ) সরকারি কর হ্রাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাজারে টাকার সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে কিন্তু পণ্য সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। অন্যান্য অপশনগুলো মূল্য হ্রাসকারী বা স্থিতিশীলকারী প্রভাব ফেলে
Related Questions
ক) Recession
খ) Stagflation
গ) Depression
ঘ) Inflation
Note : সামগ্রিক মূল্যস্তর বৃদ্ধিকে Inflation বা মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়
ক) আমদানি বেড়ে যায়
খ) রপ্তানি কমে যায়
গ) আমদানি কমে যায়
ঘ) কোনোটিই ঘটে না
Note : স্থানীয় মুদ্রার মূল্য কমে যাওয়ায় বিদেশী পণ্য কেনা ব্যয়বহুল হয় ফলে আমদানি কমে যায়
ক) আমদানিকারকরা উপকৃত হয়
খ) রপ্তানিকারকরা উপকৃত হয়
গ) রপ্তানি আয় বাড়ে
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : অবমূল্যায়নের ফলে রপ্তানিকারকরা উপকৃত হন কারণ তাদের পণ্য বিদেশে কম দামে বিক্রি করা যায় ফলে চাহিদা বাড়ে
ক) increase export (রপ্তানি বৃদ্ধি করা)
খ) decrease export (রপ্তানি হ্রাস করা)
গ) increase import (আমদানি বৃদ্ধি করা)
ঘ) have no impact on export & import (আমদানি-রপ্তানিতে কোন প্রভাব নেই)
Note : অবমূল্যায়ন করা হলে দেশের পণ্য বিদেশে সস্তা হয় ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। একই সাথে আমদানি নিরুৎসাহিত হয়
ক) 1930
খ) 1944
গ) 1945
ঘ) 1952
Note : ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন ডলারকে স্বর্ণের সাথে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়
ক) Euro
খ) Dollar
গ) Yen
ঘ) Pound
Note : স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাবের কারণে পাউন্ড স্টার্লিং বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য মুদ্রা। তবে মূল্যের দিক থেকে কুয়েতি দিনার শীর্ষে থাকে
জব সলুশন