সোনারগাঁও-এর পূর্ব নাম কি ছিল?
সোনারগাঁও বাংলার মুসলিম শাসকদের অধীনে পূর্ববঙ্গের একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র। এটি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম নাম থেকেই প্রাক মুসলিম যুগে সোনারগাঁও এর গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়। এই সুবর্ণগ্রাম থেকেই স্পষ্ট ত মুসলিম আমলের সোনারগাঁও নামের উদ্ভব।
Related Questions
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।
১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার শিবনারায়ন দাশের ডিজাইন কৃত পতাকার মাঝে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ, রঙ, ও তার ব্যাখ্যা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দিতে বলে পটূয়া কামরুল হাসানকে। কামরুল হাসান দ্বারা পরিমার্জিত রূপটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
১. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনারে - কামরুল হাসান।
২. জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত - ১০:৬ বা ৫:৩ ।
৩. জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের মাপ - পতাকার ৪ ভাগের ১ অংশ।
৪. আমাদের জাতীয় পতাকার রূপকার - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।
মেঘনা নদী বা মেঘনা আপার নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার একটি নদী।
নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩৪০০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক মেঘনা আপার নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১৭।
মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।
মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়৷
সৌরজগতের মধ্যে বৃহস্পতির উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি। বৃহস্পতির উপগ্রহ মোট ৬৭ টি। শনির উপগ্রহ ৬৩ টি। মঙ্গলের দুটি আর শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।
শুক্র:
সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর "বোন গ্রহ" বলে আখ্যায়িত করা হয়।
সূর্য থেকে দূরত্ব ক্রমানুসারে গ্রহগুলোর অবস্থান:
১. প্রথমত - বুধ ২. দ্বিতীয়ত - শুক্র ৩. তৃতীয়ত - পৃথিবী ৪. চতুর্থতম - মঙ্গল ৫. পঞ্চমতম - বৃহস্পতি ৬. যষ্ঠতম - শনি ৭. সপ্তমতম - ইউরেনাস ৮. অষ্টমতম - নেপচুন।
জব সলুশন