মানুষের শরীরে কত ধরনের রক্ত কণিকা আছে?
ক) ৫ প্রকার
খ) ৪ প্রকার
গ) ২ প্রকার
ঘ) ৩ প্রকার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মানুষের রক্তে প্রধানত তিন ধরণের কণিকা থাকে: ১. লোহিত রক্তকণিকা (RBC) ২. শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) এবং ৩. অণুচক্রিকা (Platelets)।
Related Questions
ক) 0.45
খ) 0.5
গ) 0.55
ঘ) 0.6
Note : রক্তের ৫৫% হলো রক্তরস বা প্লাজমা এবং বাকি ৪৫% হলো কঠিন অংশ বা রক্তকণিকা (লোহিত শ্বেত ও অণুচক্রিকা)।
ক) কোলেস্টেরল
খ) প্রোটিন
গ) লোহিত কণিকা
ঘ) প্লাজমা
Note : রক্তের জলীয় বা তরল অংশকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। রক্তের প্রায় ৫৫ ভাগই হলো এই প্লাজমা যা হালকা হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে।
ক) ৩ মিনিট বন্ধ থাকে
খ) ৪ মিনিট বন্ধ থাকে
গ) ৫ মিনিট বন্ধ থাকে
ঘ) ৬ মিনিট বন্ধ থাকে
Note : রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৩ থেকে ৫ মিনিটের বেশি সময় অক্সিজেন না পেলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যেতে শুরু করে এবং মানুষের মৃত্যু ঘটে।
ক) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
খ) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
গ) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
ঘ) অ্যামাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড
Note : দেহকোষ বেঁচে থাকার জন্য শক্তি উৎপাদন ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। রক্ত হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে অক্সিজেন এবং প্লাজমার মাধ্যমে গ্লুকোজ বা খাদ্যসার কোষে পৌঁছে দেয়।
ক) হরমোন বিতরণ করা
খ) ক্ষুদ্রান্ত হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
গ) জারক রস বিতরণ করা
ঘ) কলা হতে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা
Note : রক্ত হরমোন খাদ্যসার এবং বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে। কিন্তু জারক রস বা এনজাইম সাধারণত নালীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঙ্গে ক্ষরিত হয় এবং রক্তের মাধ্যমে সারা দেহে পরিবাহিত হয় না।
ক) 0.05
খ) 0.08
গ) 0.07
ঘ) 0.04
Note : একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে গড়ে ৫০০০ মিলি (৫ লিটার) রক্ত থাকে। ২৫০ মিলি রক্ত দান করা মানে হলো (২৫০/৫০০০)×১০০ = ৫% রক্ত দান করা।
জব সলুশন