রক্তে শ্বেত কণিকা বেড়ে যাওয়াকে কি বলে -
ক) সিনসিটিয়াম
খ) লিউকোনপ্লাস্ট
গ) লিউকেমিয়া
ঘ) লিউকোপেনিয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। সংখ্যা কমে যাওয়াকে লিউকোপেনিয়া বলে।
Related Questions
ক) শ্বেত কণিকা
খ) লোহিত কণিকা
গ) অণুচক্রিকা
ঘ) প্লাজমা
Note : শ্বেত রক্তকণিকা দেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকর রোগজীবাণু ধ্বংস করে এবং দেহকে পাহারা দেয় বলে একে রূপক অর্থে মানবদেহের 'পুলিশ ম্যান' বলা হয়।
ক) রক্তরস
খ) শ্বেতকণিকা
গ) অণুচক্রিকা
ঘ) লোহিত কণিকা
Note : শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) গড়ে তোলে এবং বাইরের আঘাত বা জীবাণু থেকে দেহকে রক্ষা করে।
ক) To carry nutrients
খ) To combat infections
গ) To carry oxygen
ঘ) To give strength
Note : শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রহরী হিসেবে কাজ করে। এরা জীবাণু ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে বিভিন্ন সংক্রমণের (Infection) বিরুদ্ধে লড়াই করে।
ক) Platelet
খ) Eosinophil
গ) Neutrophil
ঘ) Red blood cell
Note : শ্বেত রক্তকণিকার মধ্যে প্রধানত নিউট্রোফিল এবং মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে দেহকে রক্ষা করে।
ক) ১-১৫ দিন
খ) ৩০ দিন
গ) ৬০ দিন
ঘ) ১০ দিন
Note : শ্বেত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল খুব কম এবং এটি কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত হতে পারে। গড় হিসেবে এটি ১ থেকে ১৫ দিন ধরা হয়।
ক) 0.527777778
খ) 0.111111111
গ) 0.388888889
ঘ) 0.125
Note : মানবদেহে লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক অনুপাত প্রায় ৭০০:১। অর্থাৎ প্রতি ৭০০টি লোহিত কণিকার বিপরীতে ১টি শ্বেত কণিকা থাকে।
জব সলুশন