জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
ক) চিকিৎসা
খ) নিরাপত্তা
গ) খেলাধুলা
ঘ) সফটওয়্যার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসা ক্ষেত্রে জিন থেরাপি নতুন ঔষধ ও ভ্যাকসিন আবিষ্কারে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ক) বায়োমেট্রিক্স
খ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
গ) ন্যানোটেকনোলজি
ঘ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
Note : জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে ফসলের জিনে পরিবর্তন এনে উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী জাত তৈরি করা হয়।
ক) থাইরক্সিন
খ) গ্লুকাগন
গ) গ্রোথ হরমোন
ঘ) প্যারাথাইরয়েড হরমোন
Note : রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রোথ হরমোন (Growth Hormone) ও ইনসুলিন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ হরমোন তৈরি করা সম্ভব।
ক) Electro-synthesis
খ) Electrophoresis
গ) Electro-analysis
ঘ) Electrolysis
Note : জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিএনএ-এর খণ্ডগুলিকে আকার ও চার্জের ভিত্তিতে আলাদা করার জন্য ইলেকট্রোফোরেসিস পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ক) Amylase enzyme
খ) Protease enzyme
গ) Restriction enzyme
ঘ) Cellulose enzyme
Note : রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme) যা আণবিক কাঁচি নামে পরিচিত ডিএনএ-এর নির্দিষ্ট স্থানে ছেদন করে।
ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
খ) বায়োইনফরমেটিক্স
গ) ন্যানোটেকনোলজি
ঘ) বায়োমেট্রিক্স
Note : নতুন বা কৃত্রিম ক্রোমজোম তৈরির কৌশল জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এরই অংশ এটি জীবের বংশগতির উপাদানে পরিবর্তন আনার একটি পদ্ধতি।
ক) Jack Williamson
খ) E. Coli
গ) Paul berg
ঘ) Stanley Cohen
Note : পল বার্গ (Paul Berg) কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
জব সলুশন