Genetic Engineering হলো-
ক) জীন প্রকৌশল
খ) পুর প্রকৌশল
গ) নগর প্রকৌশল
ঘ) তড়িৎ প্রকৌশল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'Genetic Engineering' এর বাংলা পরিভাষা হলো 'জীন প্রকৌশল'। এটি জীবের জিনের পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির প্রযুক্তি।
Related Questions
ক) রোবোটিক্স
খ) বায়োমেট্রিক্স
গ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
ঘ) ন্যানোটেকনোলজি
Note : খাদ্য সংরক্ষণের জন্য প্যাকেটের ভেতরের অংশে ন্যানো-কোটিং বা ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে এমন প্রলেপ দেওয়া হয় যা খাদ্যকে সতেজ রাখে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে।
ক) বায়োইনফরমেট্রিক্স
খ) ন্যানোটেকনোলজি
গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ঘ) বায়োটেকনোলজি
Note : অ্যাপলের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চিপসগুলো (যেমন M-সিরিজ) তৈরি হয় ন্যানো স্কেলের ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে যা ন্যানোটেকনোলজিরই ফল।
ক) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
খ) ন্যানোটেকনোলজি
গ) রোবট
ঘ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
Note : ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে স্মার্টফোনের মতো ক্ষুদ্র যন্ত্রে ব্যবহৃত সূক্ষ্ম উপাদানগুলো অত্যন্ত নির্ভুলভাবে স্থাপন ও তৈরি করা সম্ভব হয়।
ক) বায়োমেট্রিক্স
খ) বায়োইনফরমেটিক্স
গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ঘ) ন্যানোটেকনোলজি
Note : 'Top Down' (বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র) হলো ন্যানোটেকনোলজির একটি পদ্ধতি যেখানে বড় আকারের বস্তুকে কেটে বা ভেঙে ন্যানো স্কেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া হয়।
ক) রোবটিক্স
খ) ন্যানোটেকনোলজি
গ) বায়োমেট্রিক্স
ঘ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
Note : ন্যানোটেকনোলজি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা আণবিক বা পারমাণবিক পর্যায়ে (১০⁻⁹ মিটার স্কেলে) বস্তুর বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
ক) মলিকুলার কম্পোনেন্ট থেকে
খ) লার্জার এন্টিটি হতে
গ) সাইনিং-এর মাধ্যমে
ঘ) প্রোগ্রামিং দ্বারা
Note : ন্যানো টেকনোলজির 'Bottom Up' (ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ) পদ্ধতিতে ন্যানো অবজেক্টগুলো মলিকুলার কম্পোনেন্ট বা আণবিক উপাদান থেকে ধীরে ধীরে তৈরি করা হয়।
জব সলুশন