উইন্ডোজ রান করার সময় আটকে বা হ্যাং হয়ে গেলে কি করতে হবে?
ক) আপগ্রেড এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে
খ) সি ড্রাইভ ফরম্যাট করে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে
গ) (ক) ও (খ) দুটোই করতে হবে
ঘ) কোনটিই নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
উইন্ডোজ হ্যাং করলে প্রথমে সফটওয়্যারজনিত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা যেমন এন্টিভাইরাস আপডেট বা ট্রাবলশুটিং করতে হয় এবং সমস্যা গুরুতর হলে সি ড্রাইভ ফরম্যাট করে উইন্ডোজ ইনস্টল করা প্রয়োজন।
Related Questions
ক) কী-বোর্ড
খ) মাউস
গ) এন্টিভাইরাস
ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
Note : অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা একটি জটিল প্রক্রিয়া যার জন্য অন্যান্য ডিভাইস বা সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়।
ক) হার্ডওয়্যার সাপোের্ট করে কিনা
খ) অপারেটিং সিস্টেমের এডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি আছে কিনা
গ) এন্টিভাইরাস বন্ধ আছে কিনা
ঘ) সবগুলোই
Note : সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে তা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার সাপোর্ট অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি এবং মাঝে মাঝে এন্টিভাইরাস বন্ধ আছে কিনা এই সবগুলোই দেখতে হয়।
ক) র্যামে
খ) রমে
গ) ক্যাশ মেমোরিতে
ঘ) হার্ডডিস্কে
Note : কুকিজ এবং টেম্পোরারি ফাইলগুলি ওয়েব ব্রাউজিং-এর গতি বাড়ানোর জন্য কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে থাকা ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।
ক) কম্পিউটারের গতি কমে যায়
খ) কম্পিউটারের গতি বেড়ে যায়
গ) এন্টিভাইরাস কাজ করে না
ঘ) ই-মেইল করা যায় না
Note : টেম্পোরারি ফাইল বেশি জমা হলে তা হার্ডডিস্কে স্থান দখল করে নেয় এবং অপারেটিং সিস্টেমকে সঠিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয় যার ফলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়।
ক) RAM পরিবর্তন করা
খ) হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করা
গ) মাদারবোর্ড পরিবর্তন করা
ঘ) সিডি-রম পরিবর্তন করা
Note : ডিসপ্লে না আসার অন্যতম প্রধান কারণ হলো র্যামের সমস্যা। তাই প্রথমে র্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগানো অথবা পরিবর্তন করে দেখা উচিত।
ক) অ্যামিটার
খ) গ্যালভানোমিটার
গ) স্ট্যাবিলাইজার
ঘ) অ্যাডাপটার
Note : ভোল্টেজের উঠানামা থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে রক্ষা করার জন্য স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা উচিত যা ইনপুট ভোল্টেজকে নিয়ন্ত্রণ করে স্থিতিশীল আউটপুট দেয়।
জব সলুশন