Trip Distribution ধাপের প্রধান আউটপুট হলো-
ক) লিংক ভলিউম ম্যাপ
খ) ট্রিপের বিন্যাস (O-D Matrix)
গ) স্পিড-ফ্লো কার্ড
ঘ) পার্কিং চার্ট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ট্রিপ ডিস্ট্রিবিউশন প্রক্রিয়ায় মূলত উৎস এবং গন্তব্য বা অরিজিন-ডেস্টিনেশন ম্যাট্রিক্স তৈরি করা হয়।
Related Questions
ক) ৯০০ যান/ঘণ্টা
খ) ১২০০ যান/ঘণ্টা
গ) ১৮০০ যান/ঘণ্টা
ঘ) ৩৬০০ যান/ঘণ্টা
Note : ফ্লো রেট নির্ণয়ের সূত্র হলো ৩৬০০ / টাইম হেডওয়ে অর্থাৎ ৩৬০০ / ২ = ১৮০০ যান প্রতি ঘণ্টা।
ক) দূরত্ব
খ) ভ্রমণ সময়
গ) সড়কের প্রস্থ
ঘ) যানবাহনের ধরণ
Note : মানুষের যাতায়াতের ইচ্ছা বা প্রবণতা মূলত গন্তব্যের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে কারণ দূরত্ব বাড়লে যাতায়াতের খরচ ও কষ্ট বৃদ্ধি পায়।
ক) ২টি
খ) ৩টি
গ) ৪টি
ঘ) ৫টি
Note : বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুযায়ী পুরো দেশকে ভূ-কম্পন ঝুঁকির তীব্রতা অনুসারে মোট ৪টি জোনে ভাগ করা হয়েছে।
ক) ২৪০ কিপ
খ) ৪৭৬ কিপ
গ) ৭১৬ কিপ
ঘ) ৭৮০ কিপ
ক) শুধু নিচের পৃষ্ঠে দেওয়া হয়
খ) শুধু নেগেটিভ মোমেন্টের জন্য দেওয়া হয়
গ) উপর নিম্ন উভয় পৃষ্ঠে দেওয়া হয়
ঘ) প্রধান রডের অর্ধেক পরিমাণে দেওয়া হয়
Note : টু ওয়ে স্ল্যাবের কোণগুলো যাতে উপরে উঠে না যায় সেজন্য কর্ণারে টপ এবং বটম উভয় দিকেই রড দিতে হয়।
ক) প্রধান বক্রতার দিক বরাবর
খ) স্ল্যাবের স্বল্প স্প্যান বরাবর
গ) প্রধান রিইনফোর্সমেন্টের লম্বালম্বি দিকে
ঘ) স্ল্যাবের কর্ণর বরাবর তীর্ষকভাবে
Note : তাপমাত্রা ও সংকোচনজনিত রডগুলো প্রধান রডের সাথে ৯০ ডিগ্রি কোণে বা লম্বালম্বিভাবে স্থাপন করা হয়।
জব সলুশন