সফরে কয় রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামায কসর করতে হয়?
ক) ৪ রাকাত বিশিষ্ট নামাজ
খ) সব নামাজ অর্ধেক
গ) ২ রাকাত বাড়িয়ে ৪ রাকাত
ঘ) কেবল ফজর কম হয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সফরের সময় ৪ রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো (যোহর, আসর ও এশা) ২ রাকাত করে পড়তে হয় যাকে কসর বলা হয়।
Related Questions
ক) আযান
খ) দু’আ
গ) রুকু করা
ঘ) খুতবা পাঠ
Note : নামাজের ভেতরে ৭টি ফরজ কাজ আছে যার মধ্যে রুকু করা একটি অন্যতম প্রধান রুকন বা স্তম্ভ।
ক) কোন গুনাহ হবে না
খ) রিজিকে বরকত কমে যায়
গ) কুফরী
ঘ) সগীরা গুনাহ
Note : হাদিসের কঠোর সতর্কবাণী অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিল সে কুফরী করল। এটি একটি বড় গুনাহ।
ক) মুসলিমদের পরীক্ষার স্থান
খ) ইমানের অর্ধাংশ
গ) মুমিনের মিরাজ
ঘ) ইসলামের ৪র্থ স্তম্ভ
Note : নামাজকে মুমিনের মেরাজ বলা হয় কারণ এর মাধ্যমে বান্দা সরাসরি মহান আল্লাহর সাথে আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপন করে।
ক) চরম অসুস্থতা
খ) ভ্রমণ
গ) কোন অবস্থাতেই নয়
ঘ) যুদ্ধক্ষেত্রে
Note : ইসলামের বিধান অনুযায়ী হুঁশ বা জ্ঞান থাকা পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই সালাত ত্যাগ করার অনুমতি নেই; প্রয়োজনে বসে বা ইশারায় পড়তে হয়।
ক) যোহর ও আসর
খ) ফজর ও এশা
গ) আসর ও মাগরিব
ঘ) মাগরিব ও এশা
Note : হাদিস অনুযায়ী মুনাফিকদের কাছে ফজর এবং এশার সালাত সবচেয়ে ভারী ও কষ্টসাধ্য মনে হয়।
ক) সালাতের কাজ ধীরে ধীরে করা
খ) আরকান ও আহকাম নির্ধারিত ক্রমে পালন করা
গ) মনযোগ দেওয়া
ঘ) নফল পড়া
Note : তারতিব মানে হলো ধারাবাহিকতা। সালাতের প্রতিটা রুকন নির্দিষ্ট পর্যায় অনুসারে সম্পাদন করাকে তারতিব বলা হয়।
জব সলুশন