কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
ক) দৃশ্যটি কী সুন্দর!
খ) তোমার নাম কি?
গ) এতে দোষ নেই।
ঘ) এতে দোষ আছে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ অথবা না দিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় তবে সেখানে হ্রস্ব-ইকার দিয়ে কি লিখতে হয়। যেমন তোমার নাম কি প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায় না এর জন্য একটি নির্দিষ্ট নাম বলতে হয়। তাই এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে দীর্ঘ-ঈকার দিয়ে কী ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ শুদ্ধ বাক্যটি হবে তোমার নাম কী। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে দৃশ্যটি কী সুন্দর এতে দোষ নেই এবং এতে দোষ আছে বাক্যগুলোর গঠন ও বানান সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও শুদ্ধ।
Related Questions
ক) অনুপম
খ) অনন্য
গ) উপমারহিত
ঘ) উপমেয়
Note : নিরুপম শব্দের অর্থ হলো যার কোনো উপমা বা তুলনা নেই অর্থাৎ অতুলনীয়। অলঙ্কার শাস্ত্রে যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে উপমান বলে এবং যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপমেয় বলে। নিরুপম শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে উপমেয় কারণ উপমেয় হলো তুলনার যোগ্য সাধারণ বিষয় বা বস্তু। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে অনুপম এবং অনন্য শব্দ দুটি নিরুপম শব্দের কাছাকাছি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ অতুলনীয় এবং উপমারহিত শব্দটিও উপমাহীন অর্থ প্রকাশ করে। তাই উপমেয় হলো নিরুপম শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ।
ক) দশম শ্রেণি
খ) ষোল নানা
গ) এক কেজি
ঘ) সাত বিঘা
Note : বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যার ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে যে বিশেষণ ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রমবাচক বা পূরণবাচক বিশেষণ বলে। দশম শ্রেণি বলতে শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট ক্রম বা পর্যায়কে নির্দেশ করা হয়েছে তাই এটি একটি ক্রমবাচক বিশেষণ। অন্যদিকে এক কেজি এবং সাত বিঘা হলো পরিমাণবাচক বা পরিমাপবাচক বিশেষণ এবং ষোল আনা মূলত পূর্ণতা অর্থে ব্যবহৃত একটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ। অতএব দশম শ্রেণি উদাহরণটিতে ক্রমবাচক বিশেষণের যথাযথ প্রয়োগ ঘটেছে।
ক) মৌনতা
খ) অধাতু
গ) অধিবেশন
ঘ) অতীত
Note : অতীত শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি কোনো সময় বা অবস্থাকে নির্দেশ করে যেমন অতীত ঘটনা বা অতীত কাল। অন্যদিকে মৌনতা হলো মৌন ভাব যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। অধাতু বলতে এমন পদার্থকে বোঝায় যা ধাতু নয় অর্থাৎ এটি একটি নামবাচক বিশেষ্য। অধিবেশন বলতে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা সভাকে বোঝায় যা একটি ক্রিয়াবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য পদ। সুতরাং অতীত শব্দটি বিশেষ্য নয় এটি একটি বিশেষণ পদ।
ক) সশঙ্কিত
খ) আকাঙ্ক্ষা
গ) অত্যাধিক
ঘ) শারীরিক
Note : সশঙ্কিত শব্দটি গঠিত হয়েছে স (সহ) এবং শঙ্কিত শব্দের মিলনে। শঙ্কা শব্দের সাথে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শঙ্কিত গঠিত হয় আবার শঙ্কার সাথে স উপসর্গ যোগ করে সশঙ্ক গঠিত হয়। সশঙ্ক অথবা শঙ্কিত যেকোনো একটির প্রয়োগ ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ কিন্তু একই সাথে উপসর্গ স এবং প্রত্যয় ইত যুক্ত করে সশঙ্কিত গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ ও বাহুল্য দোষে দুষ্ট। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে আকাঙ্ক্ষা এবং শারীরিক শব্দ দুটির বানান শুদ্ধ এবং অত্যাধিক বানানটি মূলত অতিযোগ অধিক সন্ধির নিয়মে অত্যধিক হওয়া উচিত ছিল তবে এখানে প্রধান ব্যাকরণিক বাহুল্য বা অপপ্রয়োগ ঘটেছে সশঙ্কিত শব্দটিতে।
ক) আটলান্টিক মহাসাগর
খ) প্রশান্ত মহাসাগর
গ) ভারত মহাসাগর
ঘ) লোহিত মহাসাগর
Note : ঐতিহাসিক বিলাসবহুল টাইটানিক জাহাজটি ১৯১২ সালে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বরফখণ্ডের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়।
জব সলুশন