ইতিকথা বাগধারাটির অর্থ কী?
ক) ইতিহাস
খ) উপকথা
গ) কাহিনী
ঘ) উপরের সবকটি
Related Questions
ক) আয়ত্বাধীন
খ) অশ্রুজল
গ) অধীনস্থ
ঘ) একত্র
Note : একত্র শব্দটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত অপপ্রয়োগ নেই। অন্য অপশনগুলোর আয়ত্তাধীন অশ্রুজল ও অধীনস্থ শব্দগুলো বাহুল্য বা ভুল প্রত্যয় ব্যবহারের কারণে ব্যাকরণগতভাবে অপপ্রয়োগ-দোষে দুষ্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
ক) কর্তায় শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) করণে ২য়া
ঘ) অপাদানে ২য়া
Note : বাক্যের ক্রিয়াপদ ঘটায় কে কি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা হলো কর্ম কারক। এখানে অর্থ কি ঘটায় প্রশ্ন করলে অনর্থ উত্তর আসে এবং কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি না থাকায় এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
ক) য়, বা তে/য়
খ) থেকে বা চেয়ে/ক
গ) এ বা এতে/এ
ঘ) র বা এর/ও
Note : বাক্যের ক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্ক না রেখে অন্য পদের সাথে যে পদের সম্পর্ক থাকে তাকে সম্বন্ধ পদ বলে এবং এতে সবসময় ষষ্ঠী বিভক্তি র বা এর যুক্ত হয়। অন্য অপশনগুলোর য় বা তে হলো সপ্তমী এবং থেকে বা চেয়ে হলো পঞ্চমী বিভক্তি।
ক) ৫০
খ) ১০০
গ) ১৫০
ঘ) ২০০
Note : সার্ধশত শব্দের অর্থ হলো অর্ধেকের সাথে একশত অর্থাৎ দেড়শত বা ১৫০। স শব্দটির অর্থ সহ এবং অর্ধ বলতে শত বা একশতের অর্ধেক অর্থাৎ পঞ্চাশ বোঝায় যেখানে অন্য অপশনগুলোর ৫০ কে অর্ধশত এবং ১০০ কে শত বলা হয়।
ক) ছিদ+ন্ন
খ) ছিদ+ক্ত
গ) ছিন+ন
ঘ) ছিদ+ন
Note : বাংলা ব্যাকরণে ছিন্ন শব্দটি একটি কৃদন্ত শব্দ যা সংস্কৃত ছিদ ধাতুর সাথে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। দ এবং ক্ত এর ত মিলে ন্ন রূপ ধারণ করে যেখানে অন্য অপশনগুলোর প্রত্যয় গঠন ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
জব সলুশন