নিচের কোনটি বাংলা ব্যাকরণের শাখা নয়?
ক) ধ্বনিতত্ত্ব
খ) ভাষাতত্ত্ব
গ) বাক্যতত্ত্ব
ঘ) রূপতত্ত্ব
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণের প্রধান ৪টি শাখা হলো ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। ভাষাতত্ত্ব ব্যাকরণের মূল কাঠামোগত শাখা নয় বরং ভাষা নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা।
Related Questions
ক) ৮টি
খ) ১০টি
গ) ১২টি
ঘ) ৩২টি
Note : বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাছীন বর্ণ রয়েছে ১০টি যার মধ্যে ৪টি স্বরবর্ণ এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ। পূর্ণমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৮টি।
ক) বন্য+ঔষধি
খ) বন্য+ওষধি
গ) বন+ওষধি
ঘ) বন্য+ঔষধ
Note : বন্য এবং ওষধি শব্দের মিলনে বন্যৌষধি গঠিত হয়েছে যেখানে অ-কার ও ও-কার মিলে ঔ-কার রূপ ধারণ করেছে।
ক) প্রবন্ধ
খ) বিধান
গ) নিশ্চিত
ঘ) আবেদন
Note : নির্বন্ধ শব্দের অর্থ হলো নিয়ম বিধান বা বাধ্যবাধকতা। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে প্রবন্ধ হলো গদ্য রচনা এবং নিশ্চিত হলো কোনো বিষয়ে সন্দেহাতীত হওয়া।
ক) চাউল
খ) চাকর
গ) চাবি
ঘ) চিনি
Note : চিনি এবং চা হলো চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা অত্যন্ত সাধারণ শব্দ। অন্যদিকে চাকর তুর্কি শব্দ এবং চাবি পর্তুগিজ শব্দ।
ক) ইচ্ছুক
খ) ঐচ্ছিক
গ) অনিচ্ছা
ঘ) অনিচ্ছুক
Note : ইচ্ছা বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হলো ঐচ্ছিক যা কোনো কিছু নিজের ইচ্ছাধীন হওয়া প্রকাশ করে। ইচ্ছুক হলো ইচ্ছা পোষণকারী ব্যক্তি এবং অনিচ্ছা হলো বিপরীতার্থক শব্দ।
ক) সুশ্রূষা
খ) শশ্রূষা
গ) শুশ্রুষা
ঘ) শুশ্রূষা
Note : সেবা করা অর্থে শুশ্রূষা বানানটির সঠিক রূপ হলো তালব্য-শ-এ উ-কার তালব্য-শ-এ র-ফলা দীর্ঘ-ঊ-কার এবং মূর্ধন্য-ষ-এ আ-কার।
জব সলুশন