অধিকার শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক) অধি+কার
খ) অধী+কার
গ) অধি+ইকার
ঘ) অধী+কর
Related Questions
ক) পরি+ঈক্ষা
খ) পরী+ইক্ষা
গ) পরি+ঈচ্ছা
ঘ) পড়ী+ঈচ্ছা
Note : সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুসারে হ্রস্ব-ই কারের পর দীর্ঘ-ঈ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ-ঈ কার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। এখানে পরি শব্দের শেষের হ্রস্ব-ই এবং ঈক্ষা শব্দের শুরুর দীর্ঘ-ঈ যুক্ত হয়ে পরীক্ষা শব্দটির সৃষ্টি করেছে।
ক) আমি কালকে ঢাকায় গিয়েছিলাম
খ) আমি গতকাল ঢাকায় গিয়েছিলাম
গ) আমি গিয়েছিলাম গতকাল ঢাকায়
ঘ) আমি ঢাকায় গেলাম গতকাল
Note : ব্যাকরণগত দিক থেকে গতকাল শব্দের ব্যবহার অতীতকালের যথাযথ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে এবং বাক্যের পদবিন্যাসও এখানে সঠিক রয়েছে। কালকে শব্দটি কথ্য রূপ হওয়ায় লিখিত ও প্রমিত ব্যাকরণে এটি অশুদ্ধ বলে গণ্য হয়।
ক) উপমা
খ) রূপক
গ) উৎপ্রেক্ষা
ঘ) শ্লেষ
Note : যখন কোনো উপমেয় বস্তুর সাথে উপমান বস্তুর অভেদ কল্পনা করা হয় তখন তাকে রূপক অলঙ্কার বলে। এখানে বুকের ভিতরের কাঁপন এবং ভয়ের তীব্র অনুভূতিকে এক করে রূপক অলঙ্কার সৃষ্টি করা হয়েছে।
ক) বিশেষণ
খ) সর্বনাম
গ) ক্রিয়া
ঘ) অব্যয়
Note : বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বা নামের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। এখানে তোমার শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামের পরিবর্তে বসে তাকে নির্দেশ করছে বিধায় এটি একটি পুরুষবাচক সর্বনাম পদ।
ক) খেতে
খ) খাওয়া
গ) খায়
ঘ) খাই
Note : যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বস্তু স্থান গুণ অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। এখানে খাওয়া শব্দটি দ্বারা একটি কাজের নাম বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পাচ্ছে যার ফলে এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।
ক) ইউরেনিয়াম
খ) সোডিয়াম
গ) পারদ
ঘ) লিথিয়াম
Note : পারদ হলো একমাত্র ভারী রূপালী ধাতু যা স্বাভাবিক বা কক্ষ তাপমাত্রায় সম্পূর্ণ তরল অবস্থায় বিরাজ করে।
জব সলুশন