বাক্যে গৌণ কর্মের সাথে কোন বিভক্তির প্রয়োগ হয়?
ক) -র
খ) -এ
গ) -কে
ঘ) -তে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাক্যে প্রাণিবাচক বা ব্যক্তিবাচক কর্মকে গৌণ কর্ম বলা হয় এবং এর সাথে সাধারণত কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকে। যেমন আমাকে বইটি দাও বাক্যে আমাকে হলো গৌণ কর্ম যার সাথে কে বিভক্তি যুক্ত। বস্তুবাচক বা মুখ্য কর্মে সাধারণত শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়।
Related Questions
ক) তুর্কি
খ) ফারসি
গ) পর্তুগিজ
ঘ) আরবি
Note : উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। তুর্কি ভাষার অন্যান্য জনপ্রিয় শব্দ হলো চাকর তোপ দারোগা ইত্যাদি। ফারসি পর্তুগিজ বা আরবি ভাষার সাথে উজবুক শব্দের উৎপত্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই।
ক) ধবধব
খ) সপাসপ
গ) টাপুরটুপুর
ঘ) ঝমঝম
ক) মোজা > মুজো
খ) দেশি > দিশি
গ) মিঠা > মিঠে
ঘ) বিলাতি > বিলিতি
Note : মিঠা শব্দটি থেকে মিঠে শব্দটি স্বরসংগতির ফলে গঠিত হয়েছে। এখানে পূর্ববর্তী ই-কারের প্রভাবে পরবর্তী আ-কার পরিবর্তিত হয়ে এ-কার হয়েছে যা চলিত বাংলার একটি সাধারণ নিয়ম। মোজা থেকে মুজো বা দেশি থেকে দিশি এগুলো অন্যান্য ধ্বনিগত পরিবর্তনের উদাহরণ।
ক) মনুষ্য
খ) কৌমার্য
গ) পার্বত্য
ঘ) বৈদ্য
Note :
কুমার শব্দের সাথে ষ্ণ্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাবার্থে কৌমার্য শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ কুমারের ভাব।
ক) প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
খ) অলুক বহুব্রীহি
গ) নঞ বহুব্রীহি
ঘ) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
Note : দোটানা শব্দটি দুই দিকে টান যার ব্যাসবাক্য থেকে গঠিত। এর শেষে আ প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ এ বা ও প্রত্যয় যুক্ত থাকে তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি বলে।
ক) নেতিবাচক
খ) অস্তিবাচক
গ) অনুজ্ঞাবাচক
ঘ) প্রশ্নবোধক
Note : নালিশটা অযৌক্তিক বাক্যটিতে কোনো না-বোধক অব্যয় নেই তাই এটি অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য। নেতিবাচক বাক্য হতে হলে নালিশটা যৌক্তিক নয় এমন গঠন হতে হতো। অনুজ্ঞাবাচক বাক্যে আদেশ বা অনুরোধ বোঝায় এবং প্রশ্নবোধক বাক্যে প্রশ্ন করা হয় যা এখানে অনুপস্থিত।
জব সলুশন