মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কয়টি সর্গ রয়েছে?
ক) ১৮৫১ সালে; ৭টি
খ) ১৮৬১ সালে; ৯টি
গ) ১৮৬৫ সালে; ১২টি
ঘ) ১৮৭২ সালে; ৫টি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মেঘনাদবধ কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট ৯টি সর্গ রয়েছে। রামায়ণ অবলম্বনে রচিত হলেও লেখক এতে রাবণ ও মেঘনাদকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন।
Related Questions
ক) সুকুমার সেন
খ) গোপাল হালদার
গ) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
ঘ) দীনেশচন্দ্র সেন
Note : দীনেশচন্দ্র সেন ১৮৯৬ সালে বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক অন্যতম প্রখ্যাত গবেষক যিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেন। গোপাল হালদার এবং ড. মুহম্মদ এনামুল হকও বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ লিখেছেন তবে প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন।
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) মহাত্মা গান্ধী
গ) নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ঘ) লর্ড কার্জন
Note : মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গুরুদেব উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। এর জবাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাত্মা গান্ধীকে মহাত্মা উপাধি প্রদান করেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথকে কাব্যগুরু মানতেন। লর্ড কার্জন ছিলেন ভারতের ভাইসরয় যিনি বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন।
ক) গ্রামীণ সমাজের শোষক ও শোষিত চরিত্র
খ) সাম্যবাদী মানসিকতার রূপক
গ) নগরায়ন বনাম প্রকৃতিপ্রেমের দ্বন্দ্ব ও প্রকৃতি সুরক্ষার প্রতীক
ঘ) মধ্যযুগীয় দাসপ্রথার চিত্র
Note : আরণ্যক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিবিষয়ক উপন্যাস। এতে সত্যচরণ চরিত্রটি নাগরিক সভ্যতা বা নগরায়ণের প্রতিনিধি আর যুগলপ্রসাদ অরণ্য ও প্রকৃতি সুরক্ষার প্রতীক। উপন্যাসটিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং তা ধ্বংসের ট্র্যাজেডি ফুটে উঠেছে।
ক) ১৯০৫ সালে; শান্তিনিকেতন থেকে
খ) ১৯০৭ সালে; নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে
গ) ১৯১১ সালে; শ্রীহট্ট থেকে
ঘ) ১৯২৬ সালে; বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
Note : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এই পুঁথিটি চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামে পরিচিত ছিল। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন যা সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রকাশিত হয়। শান্তিনিকেতন বা শ্রীহট্ট থেকে এটি আবিষ্কৃত হয়নি।
জব সলুশন