'চিরুনি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে ---
'চিরুনি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে - - - চির + উনি।
ক, চ, ট, ত, প থাকলে এবং তাদের পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ, জ, ড (ড়), দ, ব হয়।
অর্থাৎ অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি (গ, জ, ড (ড়), দ, ব) হয়ে যায়।
অর্থাৎ কোনো বর্গের প্রথম ধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো সেই বর্গের তৃতীয় ধ্বনি (গ, জ, ড (ড়), দ, ব) হয়ে যায়।
যেমন -
সৎ + উপায় = সদুপায়
সৎ + উপদেশ = সদুপদেশ
Related Questions
'বিশ্রী' শব্দের অর্থ কদাকার, কুৎসিত, শ্রীহীন, লজ্জাকর, জঘন্য, অশ্লীল। কাজেই বিশ্রী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো সুন্দর।
'অলীক' এর বিপরীত শব্দ হলো 'বাস্তব' অর্থাৎ কল্পনা/সত্য আর 'অলীক' - এর প্রতিশব্দ হলো কল্পনা, মিথ্যা ।
'ঢেউ' শব্দের প্রতিশব্দ - তরঙ্গ, ঊর্মি, বীচি। 'বারিধি' শব্দের প্রতিশব্দ সমুদ্র, সাগর, সিন্ধু, জলদি, রত্নাকর প্রভৃতি। 'বারি' শব্দের প্রতিশব্দ হলো পালি, সলিল, বৃষ্টি, জলপাত্র, কলসি ইত্যাদি।
'পাথর' শব্দের প্রতিশব্দ গুলি হল - পাষান, মনি, শিলা, রত্ন, বাটখারা, প্রস্তর প্রভৃতি। কাজেই নংষগ পাথর এর প্রতিশব্দ নয়। নগ এর প্রতিশব্দ পাহাড়, পর্বত, গাছ প্রভৃতি।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যে শুক্রবার কে কেন্দ্র করে স্কুল বন্ধ থাকছে। কাজেই স্কুল কর্মকারক এবং মূল শব্দ স্কুলের সাথে কোন বিভক্তি যোগ না হওয়ায় শূন্য বিভক্তি। সুতরাং সঠিক উত্তর কর্মে শূন্য।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল বা সময় এবং আঁধারকে অধিকরণ কারক বলে। বাক্যে 'আষাঢ়' বলতে একটি নির্দিষ্ট কাল বা সময়কে বোঝানো হয়েছে। মূলশব্দ আষাঢ় এর সাথে বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। সুতরাং সঠিক উত্তর অধিকরণে সপ্তমী।
জব সলুশন