বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গোচারণের জন্য বাগান আছে?
বাংলাদেশে গো-চারণের জন্য বাথান রয়েছে দুটি জেলায়। যথা-পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।
- এই অঞ্চলে বিশেষত চরাঞ্চল এবং খাস জমিতে গবাদিপশু পালনের জন্য বাথান ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে।
- পাবনা ও সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলগুলোতে গবাদিপশু চরানোর জন্য উর্বর ভূমি এবং পর্যাপ্ত ঘাস পাওয়া যায়, যা বাথান ব্যবস্থার জন্য উপযুক্ত।
Related Questions
বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (BAU) প্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. ওসমান গনি। তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলাদেশী ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক জীবনধারা ও আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক দলিল, পতাকা, রাষ্ট্রীয় প্রতীক, জাতীয় সঙ্গীত ও স্মৃতিসৌধসহ বিভিন্ন সরকারি জাতীয় প্রতীক রয়েছে, যেগুলো স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গৃহীত হয়। এগুলো ছাড়া আরও কিছু জাতীয় প্রতীক রয়েছে।
যেমন: জাতীয় পাখি, জাতীয় পশু, জাতীয় ফুল ও জাতীয় গাছ প্রভৃতি।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত। এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল।
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা।
নাটোরশহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়ারাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত। নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামেরউপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। ১৯৪৭ সালে তৎকালীনপাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁয়ে এখন রয়েছে লোকশিল্প যাদুঘর।
- এই জাদুঘরে দর্শনার্থীরা দেখতে পাবেন বাংলার প্রাচীন সুলতানদের ব্যবহৃত অস্ত্র শস্ত্র, তৈজসপত্র, পোশাক,বর্ম, অলংকার ইত্যাদি।
- বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের লোকশিল্পের অনেক নিদর্শন রয়েছে এখানে। রয়েছে বাংলার প্রাচীন মুদ্রা।
জব সলুশন