রপ্তানী আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?
মোট জাতীয় রপ্তানি আয়ে প্রাণিসম্পদ উপখাত (সাধারণত চামড়া ও প্রক্রিয়াজাত মাংসসহ) এবং মৎস্য খাতের সম্মিলিত অবদান ঐতিহাসিকভাবে প্রায় ৪.৭৯ শতাংশ থেকে ৪.৯ শতাংশ হিসেবে পরিমাপ করা হয়।
Related Questions
দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অবস্থান তৃতীয়। তৈরি পোশাক খাতের (প্রথম) পরপরই মূলত কৃষিজাত পণ্য এবং চামড়া ও পাদুকা শিল্পের অবস্থান। মোট রপ্তানিতে চামড়া খাতের অবদান প্রায় ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
সাম্প্রতিক কালে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত যে কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেছেন, তিনি হলেন প্রফেসর নরম্যান বোরলগ。 তিনি 'সবুজ বিপ্লবের জনক' হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং খাদ্য উৎপাদনে অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন
কুমির হল Reptilia (সরীসৃপ) উপপর্বের প্রাণী।
- সরীসৃপরা ডিম পাড়ে এবং তাদের শরীরে পশম বা স্তন্যপান নেই।
- এরা আংশিকভাবে জলজ এবং স্থলজ জীব থাকে, এবং তাদের ত্বক শুষ্ক ও শক্ত থাকে।
সুতরাং, কুমির একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।
বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৪০ মার্কিন ডলার।
-অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর দুইপাশে একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
-যার কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয় যা ভরা কটাল বা তেজ কটাল নামে পরিচিত।
-সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা হয়। উপকূলের কোনো স্থানে পর পর দুইটি জোয়ার কিংবা পর পর দুইটি ভাটার মধ্যবর্তী সময় ব্যবধান ১২ ঘন্টা।
-জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা পরে হয় ভাটা হয়।
বাংলাদেশ বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট বনভূমির একটি বিশাল অংশ চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। এর প্রধান কারণ হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম অর্থাৎ রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার পাহাড়ি বনাঞ্চল এবং কক্সবাজারের বনভূমি এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। তাই বিভাগ অনুসারে চট্টগ্রামেই সর্বাধিক বনভূমি রয়েছে। খুলনা বিভাগে সুন্দরবন থাকলেও মোট আয়তনে তা চট্টগ্রামের চেয়ে কম এবং সিলেট ও বরিশাল বিভাগে বনভূমির পরিমাণ আরও কম।
জব সলুশন