‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ ‒ এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্বক দ্বিরুক্তি। যেমন, কিচির মিচির, টাপুর টুপুর।
Related Questions
’পদ’ বলতে বোঝায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু।
বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে।
পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।
সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
অর্থাৎ, পদ মোট ৫ প্রকার -
১. বিশেষ্য,
২. বিশেষণ,
৩. সর্বনাম,
৪. ক্রিয়া,
৫. অব্যয়।
ব্যাঙ্গের সর্দি বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ঘটনা । ব্যাঙ্গের আধুলি বাগধারার অর্থ সামান্য সম্পদ ।
আষাঢ় ,শেষ ,ভাষা ,মানুষ ,পৌষ ,বিশেষ ,পাষাণ ,শোষণ ,প্রভৃতি শব্দে নিত্য -মূর্ধন্য -ষ বর্তমান ।
- ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী, ট ও ঠ এর সঙ্গে যুক্ত হলে দন্ত্য -স না হয়ে মূর্ধন্য -ষ হয় । যেমন -কষ্ট ,কাষ্ঠ ,ওষ্ঠ ।
- সম্ভাষণসূচক শব্দে এ -কারের পর মূর্ধন্য -ষ হয় । যেমন -কল্যাণীয়েষু , প্রিয়বরেষু
কাক ভুষণ্ডি = সম্পূর্ণ ভেজা ভূষণ্ডির কাক = দীর্ঘায়ু/দীর্ঘজীবী/অনেকদিনের অভিজ্ঞ ব্যক্তি কাক নিদ্রা = অগভীর সতর্ক নিদ্রা।
• ‘ঠোঁট-কাটা’ শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু বলতে দ্বিধাবোধ করে না এমন, স্পষ্টবক্তা বা স্পষ্টবাদী।
• ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলতে বোঝায় একচোখা বা এক পক্ষের প্রতি অনুরক্ত।
জব সলুশন