বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা কত?
বাংলাদেশে মোট জেলার সংখ্যা ৬৪টি। এই জেলাগুলো দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
৮টি বিভাগে ৬৪টি জেলার বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা, ফরিদপুর, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর এবং টাঙ্গাইল।
চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম, বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী এবং রাঙ্গামাটি।
রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ।
খুলনা বিভাগ: খুলনা, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল এবং সাতক্ষীরা।
রংপুর বিভাগ: রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁও।
ময়মনসিংহ বিভাগ: ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোণা এবং শেরপুর।
বরিশাল বিভাগ: বরিশাল, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর।
সিলেট বিভাগ: সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ।
Related Questions
লাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর。বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২)(খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোনো নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি তার বয়স ১৮ বছরের কম না হয়.
বাংলার প্রাচীনতম এবং প্রথম নগর সভ্যতার স্থান হলো মহাস্থানগড় (পুণ্ড্রনগর)। এটি বগুড়া জেলা থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। যিশু খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার বছর আগে (খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে) এই স্থানটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী ছিল।
CIRDAP (Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific)-এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত。ঢাকায় সুপ্রিম কোর্টের বিপরীতে চামেলী হাউসে (Chameli House, ১৭ তোপখানা রোড) এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে。
র্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (PCJSS) মধ্যে ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ দুই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটায়।
১৯৪৩ সালের ভয়াবহ 'বাংলার দুর্ভিক্ষের' (বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দ) অমানবিক দৃশ্য ও মানুষের কষ্ট নিজের তুলিতে ফুটিয়ে তুলে বিখ্যাত হন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন。তাঁর আঁকা 'দুর্ভিক্ষের স্কেচ' বা 'দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা' বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে。
বাংলাদেশের প্রথম ‘ইপিজেড’ (EPZ) চট্টগ্রামের হালিশহরে স্থাপিত হয়। এটি চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (CEPZ) নামে পরিচিত, যা ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
বাংলাদেশে বর্তমান মোট ইপিজেড –এর সংখ্যা ৮টি। সর্বশেষ ইপিজেড হলো কর্ণফুলী ইপিজেড ।
জব সলুশন