‘আবোল-তাবোল’ কার লেখা?
বিখ্যাত শিশুতোষ ছড়ার বই 'আবোল তাবোল' অমর বাঙালি সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের লেখা
Related Questions
'সাজাহান' (১৯০৯) কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬০ - ১৯১৩ খ্রি.) রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।'গড্ডলিকা' (১৯২৪) বিশিষ্ট লেখক রাজশেখর বসু (১৮৮০ - ১৯৬০ খ্রি.) রচিত একটি ছোটগল্প। অন্যদিকে 'পল্লী সমাজ' (১৯১৬) খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮)। রচিত একটি উপন্যাস।
নাগরিক কবি সমরসেন রচিত ' কয়েকটি কবিতা ' একটি কাব্যগ্রন্থ। ' কাব্য পরিক্রমা ' একটি সমালোচনামূলক গ্রন্থ। ' কবিতা ' হলো বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা। ' বাঙলার কাব্য ' একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।
চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ১৯১৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৪টি মূল চরিত্র (জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাস)-কে কেন্দ্র করে এর কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।
"সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই"—এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চণ্ডীদাস-এর (বড়ু চণ্ডীদাস)। তাঁর বৈষ্ণব পদাবলীতে মানবতাবাদ ও মানুষের জয়গান বোঝাতে এই অমিয় বাণীটি ব্যবহৃত হয়েছে।
কবর' নাটকের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বন্দিদশায় থাকাকালীন ১৯৫৩ সালে তিনি এই একাঙ্কিকা নাটকটি রচনা করেন।
বিষের বাঁশী বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ।১৯২৪ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে বিপ্লবী কবিতা ও বার্তার কারণে বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল
জব সলুশন