মধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ কোথায়?
মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ ভূ - পৃষ্ঠে।
অভিকর্ষজ ত্বরণ ওপর থেকে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার। অভিকর্ষের কারণে ওপর থেকে ছেড়ে দেয়া বস্তু ভূপৃষ্ঠের দিকে ধাবিত হয় এবং যতই ভূপৃষ্ঠের (তথা ভূ - কেন্দ্রের) নিকটবর্তী হয় এর পতনের বেগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পতনকালে প্রতি সেকেণ্ডে বেগ যতটুকু বৃদ্ধি লাভ করে তা - ই ‘অভিকর্ষজ ত্বরণ’ হিসেবে পদার্থ বিজ্ঞানে অভিহিত। অভিন্ন বস্তু তথা একই ভরের বস্তু পতনকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ত্বরণ পরিলক্ষিত হয়। ভূ - কেন্দ্রের নৈকট্যের কারণে ত্বরণ বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীতে অভিকর্ষ ত্বরনের মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড।
Related Questions
কম্পিউটার ভাইরাস হলো মানুষের তৈরি এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের নিজস্ব ফাইলে ঢুকে পড়ে, নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই অন্যান্য ফাইলকে সংক্রমিত করে । এগুলো মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ধীর করে দেয়, ফাইল নষ্ট করে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে ।
শুশুক, ডলফিন ও তিমি সামুদ্রিক প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী। শুশুক শ্বাস-প্রশ্বাসে সরাসরি পানির উপরের বাতাস ব্যবহার করে। ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। তাই এটি পানিতে ভেসে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এই সব প্রানীগুলো সাগরে লাফ দিয় উপরে উঠে, আসলে এরা অক্সিজেন গ্রহণ করে।
৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- পানির অণুগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে ৪° সেলসিয়াসে অণুগুলো সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, ফলে ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- ৪° সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা কমলে পানির অণুগুলো বরফের মতো কাঠামো তৈরি করতে শুরু করে, যা ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। আবার, ৪° সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা বাড়লে অণুগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়ে, ফলে ঘনত্ব কমে যায়।
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব প্রায় ১ গ্রাম/সিসি বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার হয়। এই তাপমাত্রায় পানির ভর এবং আয়তনের অনুপাত সর্বোচ্চ থাকে।
এনজিওপ্লাস্টি (Angioplasty) হলো একটি আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের সরু বা ব্লক হয়ে যাওয়া রক্তনালীগুলোকে (করোনারি ধমনী) বেলুনের সাহায্যে প্রশস্ত করা হয়। এর ফলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং বুকে ব্যথা, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
∎ডায়াবেটিস:
ডায়াবেটিস (Diabetes) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস' বা 'বহুমূত্র রোগ'। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।
এই অংকটি মিশ্র অনুপাতের,
কুকুর ৪ লাফের = খরগোশের ৫ লাফের
আবার, খরগোশের ৪ লাফের = কুকুরের ৩ লাফের
তাহলে, কুকুর ও খরগোশের মিশ্র অনুপাত হবে ৪ঃ৫ঃঃ৩ঃ৪
=> ৪/৫=৩/৪
=> ১৬ঃ১৫
জব সলুশন