যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয় না তাকে বলে---
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ হয় না তাকে 'অলুক সমাস' বলে।
অলুক সমাসে কখনো পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় না। অলুক সমাস কোনো স্বতন্ত্র সমাস নয়, যেকোনো শ্রেণীর সমাস অলুক হতে পারে। যেমন - যুদ্ধের স্থির থাকে যে = যুধিষ্ঠির।
Related Questions
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
সমাস এর পরিভাষা পাঁচটি। সমস্যমান পদ, ব্যাসবাক্য, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ। সমাস যুক্তপ্রদেশ প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে। সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কে ভাঙলে যে বাক্য পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য।
বিসর্গের পরে চ /ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে “শ” আর ট/থ থাকলে স হয়, যেমন - দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র।
”নাবিক” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ নৌ + ইক।
এ, ঐ, ও, ঔ কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়। যেমন - নৌ + ইট = নাবিক, বৌ + অক = ভাবুক, গৈ + অক = গায়ক ইত্যাদি।
গৃহিণী - [বিশেষ্য পদ] গৃহকর্ত্রী, গিন্নী, পত্নী, ভার্যা। [গৃহ + ইন্ + ঈ]। ,
শুদ্ধ বানান অভ্যন্তরীণ ।
অভ্যন্তর, অভ্যন্তরীণ, আভ্যন্তর, আভ্যন্তরিক শুদ্ধ বানান । সুতরাং এখানে 'অভ্যন্তরীণ' সঠিক উত্তর ।
“রক্তকরবী” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং - এর শৈলবাসে রচিত। তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী। ১৩৩১ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী। মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।
জব সলুশন