পরিচলন বৃষ্টি বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
- প্রধানত নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতার ফলে পরিচলন পদ্ধতিতে জলীয় বাষ্প পুর্ন উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে( ট্রপোপজ বা ট্রপোপজ এর ১-২ কিমি ঊর্দ্ধে) শুষ্ক তাপ হ্রাস করে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে কিউমুলোনিম্বাস বা ঝড়ো পুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে যে বৃষ্টিপাত ঘটে তাকে পরিচলন বৃষ্টিপাত বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিন বিকালে ও সন্ধ্যায় এই ধরনের বৃষ্টিপাত ও প্রচন্ড ঝড়, বজ্রপাত হয়ে থাকে।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় এই ধরনের বৃষ্টি কে বলে, "4 O'clock Rain ". এছাড়া পশ্চিম বঙ্গে চৈত্র বৈশাখ মাসে প্রচন্ড দাবদাহের পর যে কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টি প্রশান্তি নিয়ে আসে, তা এই পরিচলন জাতীয় বৃষ্টিপাত।
Related Questions
সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।
- উদ্ভিদের বিশেষ দিকে যেমন: আলোর দিকে, মাটির দিকে পানির দিকে বৃদ্ধি পাওয়াকে দিঙমুখিতা বলে।
- দিঙমুখিতার কারণে কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি বেশি ঘটে।
- উদ্ভিদ প্রতিদিন সূর্যালোকের উপস্থিতিতে বায়ু থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে।
- এরপর সবুজ পাতায় উপস্থিত ক্লোরোফিলের সাহায্যে স্টার্চ বা সেলুলোজ উৎপন্ন করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এ প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত।
- আবার উদ্ভিদ শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে নাইট্রোজেন, সালফার, ফসফরাস প্রভৃতি গ্রহণ করে দেহের পুষ্টি সাধন করে। এ সবই রাসায়নিক পরিবর্তন।
- রাসায়নিক পরিবর্তনে প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়।
মানব দেহের পরিণত করোটি সাধারণত ২৯টি হাড় নিয়ে গঠিত।
ম্যাণ্ডিবল ছাড়া করোটির অন্য সব হাড় সাটার দ্বারা সংযুক্ত থাকে। অনড় সংযোগসমূহ হাড়গত অসিফিকেশনের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং শারপির তন্তু এতে কিছু নমনীয়তা দান করে।
মাছি পতঙ্গ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, আর সব পতঙ্গেরই ৬টি পা থাকে।
CPU বা কেন্দ্রীয়প্রক্রিয়াকরণ অংশকে কম্পিউটার এর মস্তিষ্ক বলা হয়। কম্পিউটারের প্রধান অংশ, যা প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসর নামেও পরিচিত cpu - তে সমস্ত কম্পিউটার প্রোগ্রাম ইনস্টল করা হয়, এটি কম্পিউটারের সমস্ত ফাংশনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
জব সলুশন